ঢাকা ০৬:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঢাকা-কক্সবাজার ট্রেনযাত্রা দ্রুত ও নির্বিঘ্ন করতে নতুন উদ্যোগ

ঢাকা থেকে কক্সবাজার ট্রেনযাত্রাকে আরো দ্রুত ও নির্বিঘ্ন করতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চট্টগ্রামের পাহাড়তলী হয়ে ঝাউতলা পর্যন্ত একটি বাইপাস রেললাইন নির্মাণ হলে এই রুটে যাত্রার সময় অন্তত ৪৫ মিনিট থেকে দেড় ঘণ্টা পর্যন্ত কমে আসবে। প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার ডুয়েল লাইন প্রকল্পের অংশ হিসেবে এই বাইপাস চালু হলে চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে ট্রেনের ইঞ্জিন ঘোরানোর প্রয়োজন থাকবে না। ফলে ঢাকা থেকে আসা ট্রেনগুলো সরাসরি কক্সবাজার পৌঁছাতে পারবে।

বর্তমানে ঢাকা-চট্টগ্রাম হয়ে কক্সবাজার রুটে ‘কক্সবাজার এক্সপ্রেস’ ও ‘পর্যটক এক্সপ্রেস’ নামে দুটি ট্রেন চলাচল করছে। সড়কপথের তুলনায় স্বস্তিদায়ক হওয়ায় ট্রেনগুলো জনপ্রিয় হলেও চট্টগ্রামে ইঞ্জিন রিভার্সিংয়ের কারণে প্রতিবার অন্তত ৪৫ মিনিট সময় নষ্ট হয়।

রেলওয়ের তথ্য মতে, নতুন বাইপাস কার্যকর হলে চট্টগ্রাম স্টেশনে ঢোকার ঝামেলা ছাড়াই পাহাড়তলী-ঝাউতলা লাইন ব্যবহার করে ট্রেনগুলো কক্সবাজারে যাবে। এতে যাত্রীদের সময় সাশ্রয়ের পাশাপাশি পাহাড়তলী, ষোলোশহর ও ঝাউতলায় নতুন স্টেশন সুবিধাও চালু হবে।

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী মো. তানভীরুল ইসলাম জানান, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা থেকে সরাসরি কক্সবাজার যাত্রা সহজ হবে এবং রেল অবকাঠামো আধুনিকায়নের সুযোগ তৈরি হবে।

কক্সবাজার আইকনিক রেলস্টেশন ব্যবস্থাপক গোলাম রব্বানী গণমাধ্যমকে ‌জানান, ঢাকা-কক্সবাজার রেলপথে দিন দিন যাত্রীর সংখ্যা বাড়ছে। রেলের টিকিট অনলাইনে ছাড়ার সাথে সাথেই বিক্রি হয়ে যায়। যাত্রাপথের সময় কমে গেলে একদিকে যাত্রী ভোগান্তি কমে যাবে অপরদিকে কক্সবাজারে ভ্রমণকারীর সংখ্যাও বৃদ্ধি পাবে।

ট্যাগ:
রিপোর্টার এর তথ্য

জনপ্রিয় পোস্ট

ঢাকা-কক্সবাজার ট্রেনযাত্রা দ্রুত ও নির্বিঘ্ন করতে নতুন উদ্যোগ

প্রকাশিত: ১১:১৯:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

ঢাকা থেকে কক্সবাজার ট্রেনযাত্রাকে আরো দ্রুত ও নির্বিঘ্ন করতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চট্টগ্রামের পাহাড়তলী হয়ে ঝাউতলা পর্যন্ত একটি বাইপাস রেললাইন নির্মাণ হলে এই রুটে যাত্রার সময় অন্তত ৪৫ মিনিট থেকে দেড় ঘণ্টা পর্যন্ত কমে আসবে। প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার ডুয়েল লাইন প্রকল্পের অংশ হিসেবে এই বাইপাস চালু হলে চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে ট্রেনের ইঞ্জিন ঘোরানোর প্রয়োজন থাকবে না। ফলে ঢাকা থেকে আসা ট্রেনগুলো সরাসরি কক্সবাজার পৌঁছাতে পারবে।

বর্তমানে ঢাকা-চট্টগ্রাম হয়ে কক্সবাজার রুটে ‘কক্সবাজার এক্সপ্রেস’ ও ‘পর্যটক এক্সপ্রেস’ নামে দুটি ট্রেন চলাচল করছে। সড়কপথের তুলনায় স্বস্তিদায়ক হওয়ায় ট্রেনগুলো জনপ্রিয় হলেও চট্টগ্রামে ইঞ্জিন রিভার্সিংয়ের কারণে প্রতিবার অন্তত ৪৫ মিনিট সময় নষ্ট হয়।

রেলওয়ের তথ্য মতে, নতুন বাইপাস কার্যকর হলে চট্টগ্রাম স্টেশনে ঢোকার ঝামেলা ছাড়াই পাহাড়তলী-ঝাউতলা লাইন ব্যবহার করে ট্রেনগুলো কক্সবাজারে যাবে। এতে যাত্রীদের সময় সাশ্রয়ের পাশাপাশি পাহাড়তলী, ষোলোশহর ও ঝাউতলায় নতুন স্টেশন সুবিধাও চালু হবে।

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী মো. তানভীরুল ইসলাম জানান, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা থেকে সরাসরি কক্সবাজার যাত্রা সহজ হবে এবং রেল অবকাঠামো আধুনিকায়নের সুযোগ তৈরি হবে।

কক্সবাজার আইকনিক রেলস্টেশন ব্যবস্থাপক গোলাম রব্বানী গণমাধ্যমকে ‌জানান, ঢাকা-কক্সবাজার রেলপথে দিন দিন যাত্রীর সংখ্যা বাড়ছে। রেলের টিকিট অনলাইনে ছাড়ার সাথে সাথেই বিক্রি হয়ে যায়। যাত্রাপথের সময় কমে গেলে একদিকে যাত্রী ভোগান্তি কমে যাবে অপরদিকে কক্সবাজারে ভ্রমণকারীর সংখ্যাও বৃদ্ধি পাবে।