
ট্রাম্প প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ের এক গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তার সঙ্গে বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমানের একটি তাৎপর্যপূর্ণ টেলিবৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সকাল ৯টায় অনুষ্ঠিত এই বৈঠকটি প্রায় আধা ঘণ্টাব্যাপী চলে।
বৈঠকে অংশ নেন যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেড রিপ্রেজেনটেটিভ (ইউএসটিআর) জেমিসন গ্রিয়ার। আলোচনার শুরুতেই কিছুটা নাটকীয়তা দেখা যায়। দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য আলোচনার (ট্রেড নেগোসিয়েশন) বিভিন্ন দিক উঠে আসে বৈঠকের আলোচনায়। একপর্যায়ে জেমিসন গ্রিয়ার জানতে চান, চলমান ট্রেড নেগোসিয়েশন নিয়ে তারেক রহমানের অবস্থান কী এবং বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে যে আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি কী।
জবাবে তারেক রহমান স্পষ্টভাবে জানান, সরকার যে নেগোসিয়েশন পরিচালনা করেছে, তাতে বিএনপির পূর্ণ সম্মতি রয়েছে। সরকার যেভাবে বাণিজ্য আলোচনা এগিয়ে নিয়েছে, সে বিষয়ে তাঁদের কোনো ভিন্নমত বা আপত্তি নেই বলেও তিনি জানান।
বিএনপি চেয়ারপারসনের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির টেলিবৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করলেও আলোচনার বিস্তারিত জানাতে তিনি অপারগতা প্রকাশ করেন।
কূটনৈতিক মহলে এই বৈঠককে বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কূটনীতিকদের মতে, এই মুহূর্তে তারেক রহমানের কোনো সরকারি পদ না থাকা সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তার সঙ্গে এমন বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আরও উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ইউএস বাণিজ্য সহকারী ব্রেন্ডা লিঞ্চ, একই অঞ্চলের পরিচালক এমিলি অ্যাশবি, উপ–সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি রিক সুইৎজার, ইউএসটিআরের চিফ অব স্টাফ স্যাম মুলোপুলোস এবং উপ-ইউএসটিআর সিনিয়র বাণিজ্য নীতিবিষয়ক উপদেষ্টা ডি. আর. সেকিঞ্জার।
দেশ বাংলা অনলাইন 

























