ঢাকা ০৯:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জুলাই অভ্যুত্থান দুঃশাসনের বিরুদ্ধে গণরোষের বিস্ফোরণ: রাষ্ট্রপতির বাণী

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, “জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ছিল দীর্ঘদিনের দুঃশাসন, দুর্নীতি, গুম, খুন ও ভোটাধিকার হরণের বিরুদ্ধে জনতার ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ।”

আগামীকাল ৫ আগস্ট (মঙ্গলবার) ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ মন্তব্য করেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, এই ঐতিহাসিক দিনটিতে ছাত্র, শ্রমিক ও সাধারণ জনগণ বৈষম্যমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা ও ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলে, যার মাধ্যমে ২০২৪ সালের এই দিনে চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়। তিনি দিবসটি উপলক্ষে দেশের মুক্তিকামী ছাত্র ও জনতাকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

তিনি বলেন, “গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছি সেইসব শহীদদের, যারা স্বৈরশাসনমুক্ত বাংলাদেশের স্বপ্নে নিজ জীবন উৎসর্গ করেছেন। আহত, পঙ্গুত্ব বরণকারী এবং দৃষ্টিশক্তি হারানো সাহসী জুলাই যোদ্ধাদের অবদানও আমরা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করি।”

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, “এই বীর শহীদদের পরিবার এবং আহতদের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের নৈতিক ও পবিত্র দায়িত্ব। রাষ্ট্র এ দায়িত্ব পালনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

বাণীতে তিনি উল্লেখ করেন, “জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ছিল দুঃশাসন, লুটপাট, গুম, খুন, অপহরণ এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হরণসহ সকল নিপীড়নের বিরুদ্ধে তরুণ প্রজন্ম ও জনগণের বিক্ষোভের বিস্ফোরণ। এই অভ্যুত্থানের লক্ষ্য ছিল গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, জনগণের ক্ষমতায়ন এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা।”

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, “ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার মূলোৎপাটনের মাধ্যমে একটি সুখী, সমৃদ্ধ এবং সাম্যভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে জুলাইয়ের চেতনার বাস্তবায়ন জরুরি।”

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “জুলাই অভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র ব্যাপক সংস্কার প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। এ সংস্কারের মাধ্যমেই গণ-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটবে এবং একটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও সমতাপূর্ণ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হবে।”

বাণীর শেষে রাষ্ট্রপতি ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন।

 

ট্যাগ:
রিপোর্টার এর তথ্য

জনপ্রিয় পোস্ট

জুলাই অভ্যুত্থান দুঃশাসনের বিরুদ্ধে গণরোষের বিস্ফোরণ: রাষ্ট্রপতির বাণী

প্রকাশিত: ০৮:২৮:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ অগাস্ট ২০২৫

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, “জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ছিল দীর্ঘদিনের দুঃশাসন, দুর্নীতি, গুম, খুন ও ভোটাধিকার হরণের বিরুদ্ধে জনতার ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ।”

আগামীকাল ৫ আগস্ট (মঙ্গলবার) ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ মন্তব্য করেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, এই ঐতিহাসিক দিনটিতে ছাত্র, শ্রমিক ও সাধারণ জনগণ বৈষম্যমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা ও ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলে, যার মাধ্যমে ২০২৪ সালের এই দিনে চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়। তিনি দিবসটি উপলক্ষে দেশের মুক্তিকামী ছাত্র ও জনতাকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

তিনি বলেন, “গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছি সেইসব শহীদদের, যারা স্বৈরশাসনমুক্ত বাংলাদেশের স্বপ্নে নিজ জীবন উৎসর্গ করেছেন। আহত, পঙ্গুত্ব বরণকারী এবং দৃষ্টিশক্তি হারানো সাহসী জুলাই যোদ্ধাদের অবদানও আমরা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করি।”

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, “এই বীর শহীদদের পরিবার এবং আহতদের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের নৈতিক ও পবিত্র দায়িত্ব। রাষ্ট্র এ দায়িত্ব পালনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

বাণীতে তিনি উল্লেখ করেন, “জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ছিল দুঃশাসন, লুটপাট, গুম, খুন, অপহরণ এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হরণসহ সকল নিপীড়নের বিরুদ্ধে তরুণ প্রজন্ম ও জনগণের বিক্ষোভের বিস্ফোরণ। এই অভ্যুত্থানের লক্ষ্য ছিল গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, জনগণের ক্ষমতায়ন এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা।”

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, “ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার মূলোৎপাটনের মাধ্যমে একটি সুখী, সমৃদ্ধ এবং সাম্যভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে জুলাইয়ের চেতনার বাস্তবায়ন জরুরি।”

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “জুলাই অভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র ব্যাপক সংস্কার প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। এ সংস্কারের মাধ্যমেই গণ-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটবে এবং একটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও সমতাপূর্ণ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হবে।”

বাণীর শেষে রাষ্ট্রপতি ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন।