
রায়হান সিকদারঃ
আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি ইউপি থেকে চেয়ারম্যান পদে কফিল উদ্দিন লিটুর নাম লোকমুখে শুনা যাচ্ছে।
চায়ের দোকানে ইতিমধ্যে যারা চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে যাচ্ছেন তার মধ্যে কফিল উদ্দিন লিটুর নাম বেশ আলোচনায়। দোকানেও এমন গুঞ্জন শুনা যাচ্ছে।
কফিল উদ্দিন লিটু উপজেলার চুনতি ইউনিয়নের ৬নাম্বার ওয়ার্ডের সিকদার পাড়ার সিকদার বাড়ির এক সম্ভান্ত পরিবারে জন্মগ্রহন করেছেন। তার পিতার নাম মরহুম আফতাব উদ্দিন সিকদার। তার মরহুম পিতা বন্দর হাই স্কুলের ইংরেজী বিভাগে শিক্ষকতা ছিলেন দীর্ঘদিন। লিটু ১৯৯৫ সালে গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করেন। ২০১৬ সালে এলএলবি পাস করেন।
লিটু চিটার্গাং পোর্ট পরিবহনের পরিদর্শক হিসেবে কর্মরত রয়েছে। কিছুদিনের মধ্যে তিনি সেখান থেকে অবসরে যাবেন বলে জানা গেছে। কফিল উদ্দিন লিটু জনপ্রতিনিধির বাইরে থেকেই দীর্ঘ ২০বছর ধরে এলাকার মসজিদ, মাদ্রাসা ও বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে আর্থিকভাবে সার্বিক সহযোগিতায় দিয়ে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। তিনি এলাকার হত দরিদ্র মহিলাদের বিয়ে দেওয়ার সময় গোপনে সেসব পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দিয়ে যাচ্ছেন তিনি। বর্তমানে তিনি সামাজিক সংগঠন বৃহত্তর চুনতি সমাজকল্যাণ পরিষদের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। বিশেষ করে তিনি এলাকার হত দরিদ্র শিক্ষার্থীদের পাশে থেকে তাদের কে শিক্ষা সামগ্রী ও আর্থিক ভাবে সহযোগিতা ও সহমর্মিতার হাত প্রসারিত করে যাচ্ছেন।
প্রতিবেদকঃ আসসালামু আলাইকুম। সাংবাদিক ভাই আপনি কেমন আছেন?
লিটুঃ ও.সালাম, আমি ভালো আছি।
প্রতিবেদকঃ আপনি কফিল উদ্দিন লিটু আগামী চুনতি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে যাচ্ছে বিষয়টি কতটুকু সত্যিই?
লিটুঃ ভাই,জনগণের ভালবাসা, সমর্থন পেলেই অবশ্যই আগামী,নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবো ইনশাল্লাহ।
প্রতিবেদকঃ এলাকায় কেমন সাড়া পাচ্ছেন?
লিটুঃ ২০বছর ধরে জনপ্রতিনিধির বাইরে থেকেও জনসেবা মূলক কাজ করে যাচ্ছি।এলাকার মসজিদ, মাদ্রাসা ও সামাজিক উন্নয়নে আর্থিক ও সার্বিকভাবে সহযোগিতা ও সহমর্মিতার হাত প্রসারিত করে যাচ্ছি। বিশেষ করে এলাকার দরিদ্র পরিবারের মেয়েদের বিয়ে দেওয়ার জন্য গোপনেও আর্থিকভাবে সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছি, সহযোগিতা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।তাই আমি ইতিমধ্যে চুনতির বিভিন্ন এলাকার মানুষের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি।
প্রতিবেদকঃ আপনি কেন জনপ্রতিনিধি হয়ে কাজ করতে চান?
লিটুঃ ভাই দেখেন,জনপ্রতিনিধির বাইরে থেকে সমাজসেবায় কাজ করেছি অনেক। জনপ্রতিনিধি হলেই কাজটা একটু আরও বেশি করতে পারবো। এলাকার সাধারণ মানুষকে সেবা দিতে পারবো।
প্রতিবেদকঃ চুনতি ইউনিয়ন একটি জনবহুল এলাকা, এই এলাকায় আগামীদিনের মানুষের জন্য আপনার পক্ষ থেকে প্রত্যাশা পূরণে কি থাকবে?
লিটুঃ আসলে দেখেন ভাই, আমাদের চুনতি ইউনিয়নের একটি ইতিহাস ও ঐতিহ্য রয়েছে। আমি চুনতির ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে চাই।
প্রতিবেদকঃ এলাকার কিশোরগ্যাং, মাদকমুক্ত এলাকা গড়তে আপনার ভূমিকা কি থাকবে?
লিটুঃ জনগণ যদি আমাকে মূল্যায়ন করে, চুনতি ইউনিয়নকে মাদকমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত ও কিশোরগ্যাং মুক্ত করতে কাজ করবো।
প্রতিবেদকঃ চুনতির ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে আপনার ভূমিকা কি কি থাকবে?
লিটুঃ প্রকৃতির সৌন্দর্যের অনন্য স্থান চুনতি। পাহাড়-পর্বত, বিশেষ দক্ষিণ এশিয়ায় সর্ববৃহৎ চুনতি অভয়ারণ্যে। প্রাকৃতির সৌন্দর্য্য রক্ষা করার জন্য আমরা বদ্ধ পরিকর। চুনতির ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনবে। শিক্ষিক বেকারদের পুর্নবাসনের জন্য,কাজ করার স্বপ্নও রয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষিত মানুষকে প্রতিনিধি দিয়ে প্রাধান্য দেওয়া হবে।
প্রতিবেদকঃ আপনার পক্ষ থেকে চুনতি ইউনিয়নে সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য ভূমিকা কি থাকবে?
লিটুঃ নির্বাচনে হার জিত থাকবে। নির্বাচনে জনপ্রতিনি হলেও কাজ করবো, না হলেও কাজ করে যাবো।মহান আল্লাহ যদি জনপ্রতিনিধি হয়ে কাজ করার সুযোগ দেয়,তাহলে এলাকার সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার জন্যও কাজ করবো।
প্রতিবেদকঃ সর্বশেষে আপনার পক্ষ থেকে চুনতিবাসীর জন্য ম্যাসেজ কি থাকবে?
লিটুঃ জনগণের সমর্থন, ভালবাসা পেলেই আগামী নির্বাচনে অবশ্যই চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করব ইনশাল্লাহ। জনগণের পাশে থেকে কাজ করার স্বপ্ন দীর্ঘদিন থেকেই। তাই জনগণের ভালবাসা,সহযোগিতা নিয়েই আগামী নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
চেয়ারম্যান প্রার্থী কফিল উদ্দিন লিটু চুনতিবাসীর সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেছেন।
দেশ বাংলা ডট নেট ডেস্ক 
