ঢাকা ০৭:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চরম্বা জামেউল উলুম মাদ্রাসায় রক্ষিত সরকারী বই কালো বাজারে বিক্রির অভিযোগ

লোহাগাড়া(চট্টগ্রাম) প্রতিনিধিঃ
চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় চরম্বা জামেউল উলুম মাদ্রাসার সুপার আবুল কাশেম ও অফিস সহকারী সমশুল আলমের যোগসাজশে মাদ্রাসার রক্ষিত সরকারী বই কালোবাজারে বিক্রি করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে ।এ ব্যাপারে মাদ্রাসার গভর্নিং বডির অভিভাবক সদস্য মুহাম্মদ নুরুল ইসলাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে,গত ১৬ নভেম্বর সকালে মাদ্রাসার সুপার ও অফিস সহকারীর যোগসাজশে গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক মাদ্রাসার জন্য বরাদ্দকৃত বইগুলো অজ্ঞাত স্হানে নিয়ে বিক্রি করে ফেলেন।
এ ব্যাপারে মাদ্রাসার অভিভাবক সদস্য নুরুল ইসলাম জানান,মাদ্রাসার সুপার আবুল কাসেম ও অফিস সহকারী সমশুল আলমের যোগসাজশে সরকার কর্তৃক মাদ্রাসার বরাদ্দকৃত বইগুলো ভ্যান গাড়ি যোগে বিক্রি করে ফেলে।তিনি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে সুপার ও অফিস সহকারীর বিরুদ্ধে তদন্তপুর্বক আইনানুগ ব্যবস্হা গ্রহন করার জন্য জোর দাবী জানান।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক বলেন,মাদ্রাসার সুপার ও অফিস সহকারী মিলে বরাদ্দকৃত বইগুলো বিক্রি করে।আমি এ বিষয়ে প্রতিবাদ করলে মাদ্রাসার সুপার হুমকি-ধমকি প্রদান করছেন বলেও তিনি জানান।উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জানান, সরকারী বিধান অমান্য করে নিরাপত্তা হেফাজতে থাকা সরকারী পাঠ্যবই প্রতিষ্ঠান রক্ষক কর্তৃক বিক্রি করা আইনের সুস্পষ্ট লঙ্গন।
লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু আসলাম জানান,বই বিক্রির বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করার জন্য উপজেলা একাডেমিক সুপার ভাইজারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।তদন্ত জড়িত থাকলে আইনানুগ ব্যবস্হা গ্রহন করা হবে বলেও তিনি জানান।
অন্যদিকে,অভিযুক্ত মাদ্রাসার অফিস সহকারী সমশুল আলমের মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি কল কেটে দেন।
মাদ্রাসার সুপার আবুল কাসেম ঘটনাটি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবী করেন।

ট্যাগ:
রিপোর্টার এর তথ্য

জনপ্রিয় পোস্ট

চরম্বা জামেউল উলুম মাদ্রাসায় রক্ষিত সরকারী বই কালো বাজারে বিক্রির অভিযোগ

প্রকাশিত: ০৫:৩১:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ ডিসেম্বর ২০১৮

লোহাগাড়া(চট্টগ্রাম) প্রতিনিধিঃ
চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় চরম্বা জামেউল উলুম মাদ্রাসার সুপার আবুল কাশেম ও অফিস সহকারী সমশুল আলমের যোগসাজশে মাদ্রাসার রক্ষিত সরকারী বই কালোবাজারে বিক্রি করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে ।এ ব্যাপারে মাদ্রাসার গভর্নিং বডির অভিভাবক সদস্য মুহাম্মদ নুরুল ইসলাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে,গত ১৬ নভেম্বর সকালে মাদ্রাসার সুপার ও অফিস সহকারীর যোগসাজশে গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক মাদ্রাসার জন্য বরাদ্দকৃত বইগুলো অজ্ঞাত স্হানে নিয়ে বিক্রি করে ফেলেন।
এ ব্যাপারে মাদ্রাসার অভিভাবক সদস্য নুরুল ইসলাম জানান,মাদ্রাসার সুপার আবুল কাসেম ও অফিস সহকারী সমশুল আলমের যোগসাজশে সরকার কর্তৃক মাদ্রাসার বরাদ্দকৃত বইগুলো ভ্যান গাড়ি যোগে বিক্রি করে ফেলে।তিনি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে সুপার ও অফিস সহকারীর বিরুদ্ধে তদন্তপুর্বক আইনানুগ ব্যবস্হা গ্রহন করার জন্য জোর দাবী জানান।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক বলেন,মাদ্রাসার সুপার ও অফিস সহকারী মিলে বরাদ্দকৃত বইগুলো বিক্রি করে।আমি এ বিষয়ে প্রতিবাদ করলে মাদ্রাসার সুপার হুমকি-ধমকি প্রদান করছেন বলেও তিনি জানান।উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জানান, সরকারী বিধান অমান্য করে নিরাপত্তা হেফাজতে থাকা সরকারী পাঠ্যবই প্রতিষ্ঠান রক্ষক কর্তৃক বিক্রি করা আইনের সুস্পষ্ট লঙ্গন।
লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু আসলাম জানান,বই বিক্রির বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করার জন্য উপজেলা একাডেমিক সুপার ভাইজারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।তদন্ত জড়িত থাকলে আইনানুগ ব্যবস্হা গ্রহন করা হবে বলেও তিনি জানান।
অন্যদিকে,অভিযুক্ত মাদ্রাসার অফিস সহকারী সমশুল আলমের মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি কল কেটে দেন।
মাদ্রাসার সুপার আবুল কাসেম ঘটনাটি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবী করেন।