ঢাকা ০৪:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রাম–১৫ আসনে তৃতীয়বার এমপি হলেন শাহজাহান চৌধুরী

চট্টগ্রাম–১৫ (সাতকানিয়া–লোহাগাড়া) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী তৃতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণার মাধ্যমে তাঁর বিজয় নিশ্চিত হয়।

উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক নিয়ে শাহজাহান চৌধুরী পেয়েছেন ১ লাখ ৭২ হাজার ৬১ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী নাজমুল মোস্তফা আমিন ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ২৭ হাজার ২৫ ভোট। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শরীফুল আলম চৌধুরী ‘হাতপাখা’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এ আসনে জয়–পরাজয়ের ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ৪৫ হাজার ৩৬ ভোট।
চট্টগ্রাম–১৫ (লোহাগাড়া ও সাতকানিয়ার আংশিক) আসনটি ২০টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত। এর মধ্যে লোহাগাড়া উপজেলায় ৯টি ইউনিয়ন এবং সাতকানিয়া উপজেলায় রয়েছে ১১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা।
এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৯১ হাজার ৭৮৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৫৭ হাজার ৪১০ জন এবং নারী ভোটার ২ লাখ ৩৪ হাজার ৩৭৭ জন। পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়ার জন্য নিবন্ধিত ভোটার রয়েছেন ১৪ হাজার ২৭২ জন।
নির্বাচনে ১৫৭টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এসব কেন্দ্রে মোট ভোটকক্ষ ছিল ৯৫৯টি, যার মধ্যে ৯২৪টি স্থায়ী এবং ৩৫টি অস্থায়ী।
এর আগে শাহজাহান চৌধুরী ১৯৯১ ও ২০০১ সালে এ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। স্বাধীনতার পর বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রয়াত মোস্তাক আহামদ চৌধুরী এবং ১৯৯৬ সালে অলি আহমদ এ আসনে জয়ী হন। ২০০৮ সালে বিএনপি–জামায়াত জোটের প্রার্থী হিসেবে জামায়াতের নায়েবে আমির শামসুল ইসলাম নির্বাচিত হন।
ঐতিহাসিকভাবে চট্টগ্রাম–১৫ আসনটি জামায়াতে ইসলামের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণার মধ্য দিয়ে এ আসনের নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটেছে।

ট্যাগ:
রিপোর্টার এর তথ্য

জনপ্রিয় পোস্ট

চট্টগ্রাম–১৫ আসনে তৃতীয়বার এমপি হলেন শাহজাহান চৌধুরী

প্রকাশিত: ১১:৫১:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চট্টগ্রাম–১৫ (সাতকানিয়া–লোহাগাড়া) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী তৃতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণার মাধ্যমে তাঁর বিজয় নিশ্চিত হয়।

উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক নিয়ে শাহজাহান চৌধুরী পেয়েছেন ১ লাখ ৭২ হাজার ৬১ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী নাজমুল মোস্তফা আমিন ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ২৭ হাজার ২৫ ভোট। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শরীফুল আলম চৌধুরী ‘হাতপাখা’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এ আসনে জয়–পরাজয়ের ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ৪৫ হাজার ৩৬ ভোট।
চট্টগ্রাম–১৫ (লোহাগাড়া ও সাতকানিয়ার আংশিক) আসনটি ২০টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত। এর মধ্যে লোহাগাড়া উপজেলায় ৯টি ইউনিয়ন এবং সাতকানিয়া উপজেলায় রয়েছে ১১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা।
এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৯১ হাজার ৭৮৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৫৭ হাজার ৪১০ জন এবং নারী ভোটার ২ লাখ ৩৪ হাজার ৩৭৭ জন। পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়ার জন্য নিবন্ধিত ভোটার রয়েছেন ১৪ হাজার ২৭২ জন।
নির্বাচনে ১৫৭টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এসব কেন্দ্রে মোট ভোটকক্ষ ছিল ৯৫৯টি, যার মধ্যে ৯২৪টি স্থায়ী এবং ৩৫টি অস্থায়ী।
এর আগে শাহজাহান চৌধুরী ১৯৯১ ও ২০০১ সালে এ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। স্বাধীনতার পর বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রয়াত মোস্তাক আহামদ চৌধুরী এবং ১৯৯৬ সালে অলি আহমদ এ আসনে জয়ী হন। ২০০৮ সালে বিএনপি–জামায়াত জোটের প্রার্থী হিসেবে জামায়াতের নায়েবে আমির শামসুল ইসলাম নির্বাচিত হন।
ঐতিহাসিকভাবে চট্টগ্রাম–১৫ আসনটি জামায়াতে ইসলামের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণার মধ্য দিয়ে এ আসনের নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটেছে।