ঢাকা ০৬:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামের উন্নয়ন নিশ্চিত করাই হবে প্রথম অগ্রাধিকার: ডা. শাহাদাত

  • বাংলানিউজ
  • প্রকাশিত: ০৯:১৮:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৮ পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির এই বিজয় কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নয়, বরং এই বিজয় বাংলাদেশের প্রতিটি আপামর জনসাধারণের। দীর্ঘ ১৭ বছরের জুলুম নির্যাতন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াইয়ের যে রায় জনগণ ব্যালটের মাধ্যমে দিয়েছে, তার জন্য আমরা মহান আল্লাহর দরবারে শোকরানা আদায় করছি। আজ থেকে আমাদের কাজ হলো একটি বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়া। আমরা বিজয়ী হয়েছি মানে আমাদের দায়িত্ব ও দায়বদ্ধতা বহুগুণ বেড়ে গেছে।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বাদে জুমা জমিয়তুল ফালাহ মসজিদে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ঐতিহাসিক বিজয় লাভ করায় বিশেষ দোয়া ও শোকরানা মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় দেশজুড়ে কোনো ধরনের বিজয় মিছিল বা সভা সমাবেশ না করে কেবল প্রার্থনা ও শুকরানা আদায়ের মাধ্যমে এই বিজয় উদযাপন করা হয়।

চট্টগ্রামের উন্নয়ন এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই হবে আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার জানিয়ে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, নির্বাচনী জনসভায় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষণা দিয়েছিলেন, বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে চট্টগ্রামকে দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা হবে। তাঁর এই সুস্পষ্ট অঙ্গীকারে আস্থা রেখে চট্টগ্রামবাসী বিএনপিকে বিপুল ভোটে ভূমিধস জয় এনে দিয়েছে।

এখন আমাদের দায়িত্ব হলো বিএনপির নেতৃত্বে চট্টগ্রামকে সত্যিকার অর্থে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা।
তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রামের ভৌগোলিক অবস্থান, সমুদ্রবন্দর, শিল্প সম্ভাবনা ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক সংযোগকে কাজে লাগিয়ে দেশনায়ক তারেক রহমান ঘোষিত ২০৩৪ সালের মধ্যে দেশকে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতিতে উন্নীত করার লক্ষ্য বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। চট্টগ্রামের উন্নয়ন মানেই বাংলাদেশের উন্নয়ন, এই বিশ্বাস থেকেই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-৯ আসন থেকে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান এবং চট্টগ্রাম-৭ আসন থেকে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত সংসদ সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরী।

নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান, দলীয় নেতাকর্মী, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে পাশে থাকার জন্য চট্টগ্রামের আপামর জনগণকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি অন্তর্বর্তী সরকার, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সশস্ত্র বাহিনীকেও ধন্যবাদ জানান।

দোয়া মাহফিলে ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ও দলীয় নেতাকর্মীরা অংশ নেন। মোনাজাতে দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি এবং গণতন্ত্রের স্থিতিশীলতা কামনা করে দোয়া করা হয়। পাশাপাশি শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

এছাড়া গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ হওয়া নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মসজিদের খতিব মাওলানা আবু তালেব মোহাম্মদ আলাউদ্দীন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হারুন জামান, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেল, আহবায়ক কমিটির সদস্য মো, কামরুল ইসলাম আনোয়ার হোসেন লিপু, জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ মুসল্লী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক খোরশেদুর রহমান প্রমুখ।

ট্যাগ:
রিপোর্টার এর তথ্য

জনপ্রিয় পোস্ট

চট্টগ্রামের উন্নয়ন নিশ্চিত করাই হবে প্রথম অগ্রাধিকার: ডা. শাহাদাত

প্রকাশিত: ০৯:১৮:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির এই বিজয় কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নয়, বরং এই বিজয় বাংলাদেশের প্রতিটি আপামর জনসাধারণের। দীর্ঘ ১৭ বছরের জুলুম নির্যাতন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াইয়ের যে রায় জনগণ ব্যালটের মাধ্যমে দিয়েছে, তার জন্য আমরা মহান আল্লাহর দরবারে শোকরানা আদায় করছি। আজ থেকে আমাদের কাজ হলো একটি বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়া। আমরা বিজয়ী হয়েছি মানে আমাদের দায়িত্ব ও দায়বদ্ধতা বহুগুণ বেড়ে গেছে।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বাদে জুমা জমিয়তুল ফালাহ মসজিদে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ঐতিহাসিক বিজয় লাভ করায় বিশেষ দোয়া ও শোকরানা মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় দেশজুড়ে কোনো ধরনের বিজয় মিছিল বা সভা সমাবেশ না করে কেবল প্রার্থনা ও শুকরানা আদায়ের মাধ্যমে এই বিজয় উদযাপন করা হয়।

চট্টগ্রামের উন্নয়ন এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই হবে আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার জানিয়ে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, নির্বাচনী জনসভায় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষণা দিয়েছিলেন, বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে চট্টগ্রামকে দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা হবে। তাঁর এই সুস্পষ্ট অঙ্গীকারে আস্থা রেখে চট্টগ্রামবাসী বিএনপিকে বিপুল ভোটে ভূমিধস জয় এনে দিয়েছে।

এখন আমাদের দায়িত্ব হলো বিএনপির নেতৃত্বে চট্টগ্রামকে সত্যিকার অর্থে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা।
তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রামের ভৌগোলিক অবস্থান, সমুদ্রবন্দর, শিল্প সম্ভাবনা ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক সংযোগকে কাজে লাগিয়ে দেশনায়ক তারেক রহমান ঘোষিত ২০৩৪ সালের মধ্যে দেশকে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতিতে উন্নীত করার লক্ষ্য বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। চট্টগ্রামের উন্নয়ন মানেই বাংলাদেশের উন্নয়ন, এই বিশ্বাস থেকেই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-৯ আসন থেকে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান এবং চট্টগ্রাম-৭ আসন থেকে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত সংসদ সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরী।

নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান, দলীয় নেতাকর্মী, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে পাশে থাকার জন্য চট্টগ্রামের আপামর জনগণকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি অন্তর্বর্তী সরকার, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সশস্ত্র বাহিনীকেও ধন্যবাদ জানান।

দোয়া মাহফিলে ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ও দলীয় নেতাকর্মীরা অংশ নেন। মোনাজাতে দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি এবং গণতন্ত্রের স্থিতিশীলতা কামনা করে দোয়া করা হয়। পাশাপাশি শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

এছাড়া গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ হওয়া নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মসজিদের খতিব মাওলানা আবু তালেব মোহাম্মদ আলাউদ্দীন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হারুন জামান, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেল, আহবায়ক কমিটির সদস্য মো, কামরুল ইসলাম আনোয়ার হোসেন লিপু, জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ মুসল্লী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক খোরশেদুর রহমান প্রমুখ।