ঢাকা ০১:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ আছে কিন্তু আলোকিত মানুষ নেই: বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম

হিউম্যান রাইটস্ ফাউন্ডেশনের সেমিনার

শহীদুল ইসলাম বাবর, চট্টগ্রাম

মহামান্য সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের মাননীয় বিচারপতি ও লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান এম. ইনায়েতুর রহিম বলেছেন, “এক সময় দেশে বিদ্যুৎ ছিল না তখন আলোকিত মানুষ ছিল, এখন ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ আছে কিন্তু আলোকিত মানুষ নেই। আমরা শিক্ষিত হচ্ছি কিন্তু মনের আলো নিভছে। মানুষের মনের আলো জাগাতে হবে, সুফিবাদের চর্চা করা দরকার।” আজ সকালে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস্্ ফাউন্ডেশন- বি.এইচ.আর.এফ কর্তৃক আয়োজিত এক্সেস টু জার্স্টিস’২০২০ শীর্ষক সেমিনারে তিনি উপরোক্ত মন্তব্য করেন। বি.এইচ.আর.এফ-এর প্রধান নির্বাহী এডভোকেট এলিনা খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে মুল প্রবন্ধ পাঠ করেন সংগঠনের ডাইরেক্টর (অর্গানাইজিং) এডভোকেট এ.এম.জিয়া হাবীব আহসান।
প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে আরো বলেন, আইনজীবী, ডাক্তার, বিচারক, পুলিশ পরস্পরকে দোষারোপ না করে যার যার অবস্থান থেকে বোঝাপড়া, সমঝোতার মাধ্যমে সংকঠ সমাধান করতে হবে। তিনি আরো বলেন, আজ সমাজের চারিদিকে ভাবমুর্তির সংকঠ চলছে। আত্মউপলদ্ধির মাধ্যমে ভাবমুর্তি উজ্জ্বল করতে হবে। ডাক্তার, আইনজীবী, পুলিশ, বিচারক যার যার দায়িত্ব বুদ্ধিমত্তা ও কৌশলের মাধ্যমে সমাধান করতে হবে। সেমিনারের প্রতিপাদ্য বিষয় “ক্রিমিনাল জাস্টিস বাস্তবায়নে প্রতিবন্ধকতা ও উত্তরনের উপায়” নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে বক্তাগণ বলেন, আজ সারাদেশের মানুষ নারী, শিশু, কন্যা ধর্ষন, হত্যা, ডাকাতি, ছিনতাই, অবৈধ অস্ত্র বহন, ইয়াবা ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ছে। নারী, শিশু, কিশোর, কিশোরীরা বিশেষ করে শহরাঞ্চলের কিশোর গ্যাং-এর অপরাধ তৎপরতা বাড়ছে আশংকাজনক হারে। আইনের প্রয়োগের যতগুলো পদ্ধতি আছে তা সঠিকভাবে প্রয়োগ করে এবং বিচার ব্যবস্থার সাথে জড়িত সকল সিস্টেমকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে হবে। মানবাধিকার লংঘিত হলে রাস্ট্রের দায়িত্ব হলো বিচার প্রার্থির বিচার সুনিশ্চিত করা। ক্রিমিনাল জাস্টিস বাস্তবায়নে তদন্ত কর্মকর্তার গাফিলতি, অসততা, ধর্ষন মামলায় ভিকটিমের ডাক্তারী পরীক্ষা বিলম্ব, মামলায় সাক্ষীদের হাজির না থাকা, যথাসময়ে ডাক্তারী সনদ না পাওয়া আলামত সংরক্ষণ না করা, মামলায় রাজনৈতিক চাপে আসামী বাদ দেয়া, মামলার ধাপে ধাপে নানা প্রতিবন্ধকতা, আইনজীবীদের অনৈতিকতা, গণমাধ্যমে ভুল সংবাদ, আসামীদের যথাসময়ে গ্রেপ্তার না করা, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে স্বচ্ছ ধারনা না থাকা, শিশু সনদ, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, পারিবারিক সংহিংসতা আইন সম্পর্কে পুলিশের স্পষ্ট ধারনা না থাকা, মাদকের মামলায় কেমিক্যাল টেষ্ট না করা, কিছু কিছু এন.জি.ও, মানবাধিকার সংগঠনের নামে লোকজনকে হয়রানী করা, আদালতগুলোর বিচারক শুন্যতা ইত্যাদি ইত্যাদি। মূল প্রবন্ধে বিদ্যমান অবস্থা থেকে উত্তরনের উপায় সম্পর্কে বলা হয়, একটি শক্তিশালী স্বাধীন ও স্থায়ী প্রসিকিউশন, সার্ভিস গঠন, সঠিক ধারায় মামলা রেকর্ড, তদন্তের জন্য আলাদা ইউনিট, ধর্ষন মামলার আলামত সংরক্ষন ও ২৪ ঘন্টা ফরেনসিক ডিপার্টমেন্ট খোলা রাখা, বিচারকালীন সময়ে নির্যাতিত ও সাক্ষীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, মিডিয়াকে ভারসাম্যপূর্ন দায়িত্বশীল ভ‚মিকা রাখা, পুলিশকে মোটিভেশন ও মানবাধিকারের উপর প্রশিক্ষণ দেয়া। ডাক্তারদের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩) এর বিধান মেনে চলা। লিগ্যাল এইডকে আরো সম্প্রসারিত করা, সরকারী উদ্যোগে দরিদ্রদের ডি.এন.এ পরীক্ষা করা, বিচারক শুন্যতা পুরন করা, দক্ষতার সাথে বিচার কার্য সম্পন্ন করা, ধর্ষন ও সেনসেটিভ মামলার ক্ষেত্রে নির্যাতিতদের সাক্ষ্য ক্যামরা ট্রায়ালের মাধ্যমে সম্পন্ন করা, হয়রানী মামলা না করতে জনসাধারনের মধ্যে জনসচেতনতা সৃষ্টি করা, সকল সরকারী অফিসে সিটিজেন চার্টার টাঙ্গানো, পুলিশকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার বন্ধ করা, ইলেক্ট্রনিক্স সাক্ষ্য প্রদানে আইনের বিধি প্রনয়ন করা, ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইন সংশোধন ও যুগোপযোগী করা, তিন পার্বত্য জেলায় পৃথক পারিবারিক আদালত প্রতিষ্ঠা, ধর্মীয় পন্ডিতদের ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় ভ‚মিকা রাখতে কাজে লাগানো, অন লাইনে ওয়ারেন্ট ইস্যুসহ গুরুত্বপূর্ন সুপারিশমালা পেশ করা হয়।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পি.এইচ.পি ফ্যামিলির চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সুফি মিজানুর রহমান, চট্টগ্রামের জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন, মহানগর দায়রা জজ শেখ মোহাম্মদ আশফাকুর রহমান, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যাল-১ এর বিচারক জান্নাতুল ফেরদৌষ আলেয়া, সি.এম.এম মোহাম্মদ ওসমান গনি, বান্দরবানের সিজেএম আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, ফেনীর সিজেএম আবু হান্নান, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ গোলাম রহমান, অতিরিক্ত জেলা জজ মুন্সী আবদুল মজিদ, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক রীনা রায়, প্রফেসর আহমদ হোসেন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের চেয়ারম্যান রোকসানা হোসাইন, ডাক্তার উদয় শংকর সরকার, ডিএজি আবুল হাশেম, সি.এম.পি’র এডিসি মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, প্যানেল মেয়র চৌধুরী হাছান মাহমুদ হাসনী, জেলা পিপি এ.কে.এম সিরাজুল ইসলাম, জি.পি নাজমুল আহসান খান আলমগীর, চট্টগ্রাম জেলা বার এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আইয়ুব খান, এডভোকেট রেজাউল করিম চৌধুরী, এডভোকেট আকতার কবির চৌধুরী, আইনজীবী এডভোকেট পরেশ চন্দ্র দাশ, বিশ্বজিত বড়–য়া, এডভোকেট খাদেম উল ইসলাম চৌধুরী, এডভোকেট সুনীল কুমার সরকার, এডভোকেট সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, এডভোকেট জান্নাতুন নাঈম রুমানা, এডভোকেট সৈয়দ মোহাম্মদ হারুন, এডভোকেট প্রদীপ আইচ দীপু, এডভোকেট মোঃ সাইফুদ্দীন খালেদ, সাংবাধিক ওসমান গণি মনসুর, সাংবাদিক সবুর শুভ, ফটো সাংবাদিক বীর মুক্তিযোদ্ধা মঞ্জুরুল আলম মঞ্জু, সাংবাদিক মামুনুর রশিদ, সাংবাদিক আলমগীর অপু, কাউন্সিলর আনজুমান আরা বেগম, এন.জি.ও প্রতিনিধি লুৎফুনেছা রুপসা, বিএইচআরএফ মিডিয়া উইংস মোহাম্মদ এরশাদ আলম, সহ মিডিয়া উইংস কাশিফ মাহমুদ শান্তনু চৌধুরী, কাজী আবদুল হান্নান জিলানী, হিজরা প্রতিনিধি মৌসুমী প্রমুখ। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পেশার লোকজন উপস্থিত ছিলেন। সবশেষে বি.এইচ.আর.এফ এর পরিচালক অংশু পিয়াল ধন্যবাদ প্রস্তাব রাখেন।
ট্যাগ:
রিপোর্টার এর তথ্য

জনপ্রিয় পোস্ট

ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ আছে কিন্তু আলোকিত মানুষ নেই: বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম

প্রকাশিত: ০৭:৫০:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২০

হিউম্যান রাইটস্ ফাউন্ডেশনের সেমিনার

শহীদুল ইসলাম বাবর, চট্টগ্রাম

মহামান্য সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের মাননীয় বিচারপতি ও লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান এম. ইনায়েতুর রহিম বলেছেন, “এক সময় দেশে বিদ্যুৎ ছিল না তখন আলোকিত মানুষ ছিল, এখন ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ আছে কিন্তু আলোকিত মানুষ নেই। আমরা শিক্ষিত হচ্ছি কিন্তু মনের আলো নিভছে। মানুষের মনের আলো জাগাতে হবে, সুফিবাদের চর্চা করা দরকার।” আজ সকালে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস্্ ফাউন্ডেশন- বি.এইচ.আর.এফ কর্তৃক আয়োজিত এক্সেস টু জার্স্টিস’২০২০ শীর্ষক সেমিনারে তিনি উপরোক্ত মন্তব্য করেন। বি.এইচ.আর.এফ-এর প্রধান নির্বাহী এডভোকেট এলিনা খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে মুল প্রবন্ধ পাঠ করেন সংগঠনের ডাইরেক্টর (অর্গানাইজিং) এডভোকেট এ.এম.জিয়া হাবীব আহসান।
প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে আরো বলেন, আইনজীবী, ডাক্তার, বিচারক, পুলিশ পরস্পরকে দোষারোপ না করে যার যার অবস্থান থেকে বোঝাপড়া, সমঝোতার মাধ্যমে সংকঠ সমাধান করতে হবে। তিনি আরো বলেন, আজ সমাজের চারিদিকে ভাবমুর্তির সংকঠ চলছে। আত্মউপলদ্ধির মাধ্যমে ভাবমুর্তি উজ্জ্বল করতে হবে। ডাক্তার, আইনজীবী, পুলিশ, বিচারক যার যার দায়িত্ব বুদ্ধিমত্তা ও কৌশলের মাধ্যমে সমাধান করতে হবে। সেমিনারের প্রতিপাদ্য বিষয় “ক্রিমিনাল জাস্টিস বাস্তবায়নে প্রতিবন্ধকতা ও উত্তরনের উপায়” নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে বক্তাগণ বলেন, আজ সারাদেশের মানুষ নারী, শিশু, কন্যা ধর্ষন, হত্যা, ডাকাতি, ছিনতাই, অবৈধ অস্ত্র বহন, ইয়াবা ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ছে। নারী, শিশু, কিশোর, কিশোরীরা বিশেষ করে শহরাঞ্চলের কিশোর গ্যাং-এর অপরাধ তৎপরতা বাড়ছে আশংকাজনক হারে। আইনের প্রয়োগের যতগুলো পদ্ধতি আছে তা সঠিকভাবে প্রয়োগ করে এবং বিচার ব্যবস্থার সাথে জড়িত সকল সিস্টেমকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে হবে। মানবাধিকার লংঘিত হলে রাস্ট্রের দায়িত্ব হলো বিচার প্রার্থির বিচার সুনিশ্চিত করা। ক্রিমিনাল জাস্টিস বাস্তবায়নে তদন্ত কর্মকর্তার গাফিলতি, অসততা, ধর্ষন মামলায় ভিকটিমের ডাক্তারী পরীক্ষা বিলম্ব, মামলায় সাক্ষীদের হাজির না থাকা, যথাসময়ে ডাক্তারী সনদ না পাওয়া আলামত সংরক্ষণ না করা, মামলায় রাজনৈতিক চাপে আসামী বাদ দেয়া, মামলার ধাপে ধাপে নানা প্রতিবন্ধকতা, আইনজীবীদের অনৈতিকতা, গণমাধ্যমে ভুল সংবাদ, আসামীদের যথাসময়ে গ্রেপ্তার না করা, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে স্বচ্ছ ধারনা না থাকা, শিশু সনদ, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, পারিবারিক সংহিংসতা আইন সম্পর্কে পুলিশের স্পষ্ট ধারনা না থাকা, মাদকের মামলায় কেমিক্যাল টেষ্ট না করা, কিছু কিছু এন.জি.ও, মানবাধিকার সংগঠনের নামে লোকজনকে হয়রানী করা, আদালতগুলোর বিচারক শুন্যতা ইত্যাদি ইত্যাদি। মূল প্রবন্ধে বিদ্যমান অবস্থা থেকে উত্তরনের উপায় সম্পর্কে বলা হয়, একটি শক্তিশালী স্বাধীন ও স্থায়ী প্রসিকিউশন, সার্ভিস গঠন, সঠিক ধারায় মামলা রেকর্ড, তদন্তের জন্য আলাদা ইউনিট, ধর্ষন মামলার আলামত সংরক্ষন ও ২৪ ঘন্টা ফরেনসিক ডিপার্টমেন্ট খোলা রাখা, বিচারকালীন সময়ে নির্যাতিত ও সাক্ষীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, মিডিয়াকে ভারসাম্যপূর্ন দায়িত্বশীল ভ‚মিকা রাখা, পুলিশকে মোটিভেশন ও মানবাধিকারের উপর প্রশিক্ষণ দেয়া। ডাক্তারদের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩) এর বিধান মেনে চলা। লিগ্যাল এইডকে আরো সম্প্রসারিত করা, সরকারী উদ্যোগে দরিদ্রদের ডি.এন.এ পরীক্ষা করা, বিচারক শুন্যতা পুরন করা, দক্ষতার সাথে বিচার কার্য সম্পন্ন করা, ধর্ষন ও সেনসেটিভ মামলার ক্ষেত্রে নির্যাতিতদের সাক্ষ্য ক্যামরা ট্রায়ালের মাধ্যমে সম্পন্ন করা, হয়রানী মামলা না করতে জনসাধারনের মধ্যে জনসচেতনতা সৃষ্টি করা, সকল সরকারী অফিসে সিটিজেন চার্টার টাঙ্গানো, পুলিশকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার বন্ধ করা, ইলেক্ট্রনিক্স সাক্ষ্য প্রদানে আইনের বিধি প্রনয়ন করা, ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইন সংশোধন ও যুগোপযোগী করা, তিন পার্বত্য জেলায় পৃথক পারিবারিক আদালত প্রতিষ্ঠা, ধর্মীয় পন্ডিতদের ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় ভ‚মিকা রাখতে কাজে লাগানো, অন লাইনে ওয়ারেন্ট ইস্যুসহ গুরুত্বপূর্ন সুপারিশমালা পেশ করা হয়।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পি.এইচ.পি ফ্যামিলির চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সুফি মিজানুর রহমান, চট্টগ্রামের জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন, মহানগর দায়রা জজ শেখ মোহাম্মদ আশফাকুর রহমান, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যাল-১ এর বিচারক জান্নাতুল ফেরদৌষ আলেয়া, সি.এম.এম মোহাম্মদ ওসমান গনি, বান্দরবানের সিজেএম আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, ফেনীর সিজেএম আবু হান্নান, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ গোলাম রহমান, অতিরিক্ত জেলা জজ মুন্সী আবদুল মজিদ, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক রীনা রায়, প্রফেসর আহমদ হোসেন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের চেয়ারম্যান রোকসানা হোসাইন, ডাক্তার উদয় শংকর সরকার, ডিএজি আবুল হাশেম, সি.এম.পি’র এডিসি মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, প্যানেল মেয়র চৌধুরী হাছান মাহমুদ হাসনী, জেলা পিপি এ.কে.এম সিরাজুল ইসলাম, জি.পি নাজমুল আহসান খান আলমগীর, চট্টগ্রাম জেলা বার এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আইয়ুব খান, এডভোকেট রেজাউল করিম চৌধুরী, এডভোকেট আকতার কবির চৌধুরী, আইনজীবী এডভোকেট পরেশ চন্দ্র দাশ, বিশ্বজিত বড়–য়া, এডভোকেট খাদেম উল ইসলাম চৌধুরী, এডভোকেট সুনীল কুমার সরকার, এডভোকেট সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, এডভোকেট জান্নাতুন নাঈম রুমানা, এডভোকেট সৈয়দ মোহাম্মদ হারুন, এডভোকেট প্রদীপ আইচ দীপু, এডভোকেট মোঃ সাইফুদ্দীন খালেদ, সাংবাধিক ওসমান গণি মনসুর, সাংবাদিক সবুর শুভ, ফটো সাংবাদিক বীর মুক্তিযোদ্ধা মঞ্জুরুল আলম মঞ্জু, সাংবাদিক মামুনুর রশিদ, সাংবাদিক আলমগীর অপু, কাউন্সিলর আনজুমান আরা বেগম, এন.জি.ও প্রতিনিধি লুৎফুনেছা রুপসা, বিএইচআরএফ মিডিয়া উইংস মোহাম্মদ এরশাদ আলম, সহ মিডিয়া উইংস কাশিফ মাহমুদ শান্তনু চৌধুরী, কাজী আবদুল হান্নান জিলানী, হিজরা প্রতিনিধি মৌসুমী প্রমুখ। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পেশার লোকজন উপস্থিত ছিলেন। সবশেষে বি.এইচ.আর.এফ এর পরিচালক অংশু পিয়াল ধন্যবাদ প্রস্তাব রাখেন।