রায়হান সিকদার,লোহাগাড়াঃ
লোহাগাড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিগত কয়েকদিন ধরে প্রচার প্রচারণায় নেমেছে লোহাগাড়া থানা পুলিশ।
গুজবে কান দিবেননা, গণপিটুনিতে হত্যা ফৌজদারী অপরাধ এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে ছেলেধরা গুজব ছড়িয়ে গণপিটুনিতে হত্যার মাধ্যমে দেশে অস্হিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি ও গনপিটুনী দিয়ে হত্যা বন্ধে দেশব্যাপী বাংলাদেশ পুলিশ কর্তৃক আয়োজিত ২৮জুলাই সকালে উপজেলার পদুয়া ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙণে এবং উত্তর আমিরাবাদ এমবি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে
গণসচেতনতা সপ্তাহ উপলক্ষে কল্লাকাটা ও ছেলে ধরা গুজব ঠেকাতে পৃথক পৃথকভাবে
আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয়েছে।
আলোচনা সভায় গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন লোহাগাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।
এসময় উপস্হিত ছিলেন লোহাগাড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক(তদন্ত) মুহাম্মদ জহির উদ্দিন,উত্তর আমিরাবাদ এমবি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাস্টার শফিকুল ইসলাম চৌধুরী,লোহাগাড়া থানার এএসআই বিল্লাল হোসেন, পদুয়া ইউপি সদস্য মুহাম্মদ কাউছার উদ্দিন, মুহাম্মদ শব্বির আহমদ, মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, যুবলীগ নেতা মুহাম্মদ ফিরোজ কামাল।
লোহাগাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান,
সাম্প্রতিক সময়ে একদল দুষ্টবুদ্ধিসম্পন্ন চক্র বিভিন্ন এলাকায় যে ছেলে ধরা বিষয়টি ভাইরাল করেছে তা সম্পূর্ন মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন, এতে করে সাধারন মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
পদ্নাসেতু কিংবা বড় প্রকল্প নির্মাণে কল্লা লাগার বিষয়ে যে গুজব সৃষ্টি হয়েছে তার কোন ভিত্তি নেই।দেশের চলমান উন্নয়ন ঠেকাতে ষড়যন্ত্রকারীরা অস্ত্র হিসেবে বেছে নিয়েছে ছেলেধরা গুজব।
ছেলেধরা সন্দেহে কাউকে গণপিটুনি বা কোনোরকম মারধর না করে থানা পুলিশের নিকট সোপর্দ করুন।
তিনি আরো বলেন,
গুজবে বিভ্রান্ত হয়ে ছেলেধরা সন্দেহে কাউকে গণপিটুনি দিয়ে আইন নিজের হাতে তুলে নিবেন না। গুজব ছড়িয়ে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরি করা রাষ্ট্রবিরোধী কাজের সামিল এবং গণপিটুনি দিয়ে মৃত্যু ঘটানো ফৌজদারী অপরাধ।
ছেলেধরা সন্দেহে কাউকে গণপিটুনি দিয়ে আইন নিজের হাতে তুলে না নিয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় সোপর্দ করার জন্য এবং প্রয়োজনে ৯৯৯-এ কল করে জরুরি সহায়তা গ্রহণের জন্য অাহবান জানান লোহাগাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।
দেশ বাংলা ডট নেট ডেস্ক 




















