ঢাকা ০৪:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গুজবে কান দিবেননা, আইন হাতে তুলে নিবেন নাঃঅতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাসানুজ্জামান

রায়হান সিকদার, লোহাগাড়াম

ছেলে ধরা গুজব ঠেকাতে শিক্ষা প্রতিষ্টান ও উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ও হাট বাজারে জনসচেতনতামুলক কর্মসূচি করেছেন লোহাগাড়া থানা পুলিশ।

২৪ জুলাই ( বুধবার) দিনব্যাপী লোহাগাড়া শাহপীর পাইল্ট উচ্চ বিদ্যালয়, বটতলী মোটর স্টেশনসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় লোহাগাড়া থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জনসচেতনতামুলক প্রচার ও প্রচারণা চালানো হয়েছে।

ছেলেধরা সন্দেহে কাউকে গণপিটুনি বা কোনোরকম মারধর না করে থানা পুলিশের নিকট সোপর্দ করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন সাতকানিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান মোল্যা।
এসময় উপস্হিত ছিলেন লোহাগাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, লোহাগাড়া ট্রাফিক বিভাগের ইনচার্জ মুহাম্মদ মুজিবুর রহমান, লোহাগাড়া শাহপীর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাস্টার আবু বক্কর, সাবেক প্রধান শিক্ষক মাস্টার সুজিত পাল, লোহাগাড়া থানার এসআই মুহাম্মদ গোলাম কিবরিয়া।

সাতকানিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাসিনুজ্জামান মোল্যা বলেছেন,
গুজবে বিভ্রান্ত হয়ে ছেলেধরা সন্দেহে কাউকে গণপিটুনি দিয়ে আইন নিজের হাতে তুলে নিবেন না। গুজব ছড়িয়ে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরি করা রাষ্ট্রবিরোধী কাজের সামিল এবং গণপিটুনি দিয়ে মৃত্যু ঘটানো ফৌজদারী অপরাধ।
তিনি আরো বলেন,যদি কাউকে সন্দেহ বশত আক্রমণ করে হত্যা করেন, তবে হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।গুজব সৃষ্টির সাথে জড়িতদের বিষয়ে খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি জানান।

লোহাগাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেছেন,
মিথ্যে অপপ্রচার ও গুজব রটিয়ে কতিপয় মহল আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতির অবনতি ও অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।এসব ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত ও সম্পূর্ণ আইন বিরোধী।তিনি আরো বলেন,
যদি কাউকে ছেলেধরা সন্দেহ হয়, তাকে আক্রমণ না করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কে খবর দিন,আমাদের লোহাগাড়া থানা পুলিশের পক্ষ থেকে তাৎক্ষনিক ব্যবস্হা গ্রহণ করা হবে। অস্থিতিশীল পরিস্হিতি সৃষ্টি করে যদি কেউ ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করে, তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে। এ বিষয়টি সামনে রেখে কাজ করে যাচ্ছে লোহাগাড়া থানা পুলিশ।
ছেলেধরা সন্দেহে কাউকে গণপিটুনি দিয়ে আইন নিজের হাতে তুলে না নিয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় সোপর্দ করার জন্য এবং প্রয়োজনে ৯৯৯-এ কল করে জরুরি সহায়তা গ্রহণের জন্য অাহবান জানিয়েছেন সাতকানিয়া সার্কলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাসানুজ্জামান মোল্যা ও লোহাগাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।

ট্যাগ:
রিপোর্টার এর তথ্য

জনপ্রিয় পোস্ট

গুজবে কান দিবেননা, আইন হাতে তুলে নিবেন নাঃঅতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাসানুজ্জামান

প্রকাশিত: ০৮:১৯:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুলাই ২০১৯

রায়হান সিকদার, লোহাগাড়াম

ছেলে ধরা গুজব ঠেকাতে শিক্ষা প্রতিষ্টান ও উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ও হাট বাজারে জনসচেতনতামুলক কর্মসূচি করেছেন লোহাগাড়া থানা পুলিশ।

২৪ জুলাই ( বুধবার) দিনব্যাপী লোহাগাড়া শাহপীর পাইল্ট উচ্চ বিদ্যালয়, বটতলী মোটর স্টেশনসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় লোহাগাড়া থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জনসচেতনতামুলক প্রচার ও প্রচারণা চালানো হয়েছে।

ছেলেধরা সন্দেহে কাউকে গণপিটুনি বা কোনোরকম মারধর না করে থানা পুলিশের নিকট সোপর্দ করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন সাতকানিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান মোল্যা।
এসময় উপস্হিত ছিলেন লোহাগাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, লোহাগাড়া ট্রাফিক বিভাগের ইনচার্জ মুহাম্মদ মুজিবুর রহমান, লোহাগাড়া শাহপীর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাস্টার আবু বক্কর, সাবেক প্রধান শিক্ষক মাস্টার সুজিত পাল, লোহাগাড়া থানার এসআই মুহাম্মদ গোলাম কিবরিয়া।

সাতকানিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাসিনুজ্জামান মোল্যা বলেছেন,
গুজবে বিভ্রান্ত হয়ে ছেলেধরা সন্দেহে কাউকে গণপিটুনি দিয়ে আইন নিজের হাতে তুলে নিবেন না। গুজব ছড়িয়ে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরি করা রাষ্ট্রবিরোধী কাজের সামিল এবং গণপিটুনি দিয়ে মৃত্যু ঘটানো ফৌজদারী অপরাধ।
তিনি আরো বলেন,যদি কাউকে সন্দেহ বশত আক্রমণ করে হত্যা করেন, তবে হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।গুজব সৃষ্টির সাথে জড়িতদের বিষয়ে খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি জানান।

লোহাগাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেছেন,
মিথ্যে অপপ্রচার ও গুজব রটিয়ে কতিপয় মহল আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতির অবনতি ও অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।এসব ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত ও সম্পূর্ণ আইন বিরোধী।তিনি আরো বলেন,
যদি কাউকে ছেলেধরা সন্দেহ হয়, তাকে আক্রমণ না করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কে খবর দিন,আমাদের লোহাগাড়া থানা পুলিশের পক্ষ থেকে তাৎক্ষনিক ব্যবস্হা গ্রহণ করা হবে। অস্থিতিশীল পরিস্হিতি সৃষ্টি করে যদি কেউ ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করে, তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে। এ বিষয়টি সামনে রেখে কাজ করে যাচ্ছে লোহাগাড়া থানা পুলিশ।
ছেলেধরা সন্দেহে কাউকে গণপিটুনি দিয়ে আইন নিজের হাতে তুলে না নিয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় সোপর্দ করার জন্য এবং প্রয়োজনে ৯৯৯-এ কল করে জরুরি সহায়তা গ্রহণের জন্য অাহবান জানিয়েছেন সাতকানিয়া সার্কলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাসানুজ্জামান মোল্যা ও লোহাগাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।