ঢাকা ০৬:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

খুলনায় সাংবাদিক মিলনকে গুলি করে হত্যা

খুলনার আড়ংঘাটা থানাধীন শলুয়া বাজার এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হয়েছেন সাংবাদিক এমদাদুল হক মিলন। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে এ মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড ঘটে।

নিহত এমদাদুল হক মিলন আড়ংঘাটা প্রেস ক্লাবের সেক্রেটারি ছিলেন। তিনি ডুমুরিয়া উপজেলার শলুয়া বাজার এলাকার বাসিন্দা এবং বজলু রহমানের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শলুয়া বাজার এলাকায় অবস্থানকালে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা মিলনের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলার একপর্যায়ে তাকে লক্ষ্য করে গুলি করা হলে তিনি ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে নিকটবর্তী হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করলে পথেই তার মৃত্যু হয়।

খুলনা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার মো. রোকনুজ্জামান গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

হত্যাকাণ্ডের পেছনের কারণ ও জড়িতদের পরিচয় সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে তদন্ত কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

ঘটনার খবর পেয়ে আড়ংঘাটা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ হত্যাকাণ্ডে স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে গভীর শোক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। সাংবাদিক নেতারা দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

পুলিশ বলছে, এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

 

ট্যাগ:
রিপোর্টার এর তথ্য

জনপ্রিয় পোস্ট

খুলনায় সাংবাদিক মিলনকে গুলি করে হত্যা

প্রকাশিত: ১১:৩২:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫

খুলনার আড়ংঘাটা থানাধীন শলুয়া বাজার এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হয়েছেন সাংবাদিক এমদাদুল হক মিলন। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে এ মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড ঘটে।

নিহত এমদাদুল হক মিলন আড়ংঘাটা প্রেস ক্লাবের সেক্রেটারি ছিলেন। তিনি ডুমুরিয়া উপজেলার শলুয়া বাজার এলাকার বাসিন্দা এবং বজলু রহমানের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শলুয়া বাজার এলাকায় অবস্থানকালে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা মিলনের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলার একপর্যায়ে তাকে লক্ষ্য করে গুলি করা হলে তিনি ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে নিকটবর্তী হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করলে পথেই তার মৃত্যু হয়।

খুলনা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার মো. রোকনুজ্জামান গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

হত্যাকাণ্ডের পেছনের কারণ ও জড়িতদের পরিচয় সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে তদন্ত কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

ঘটনার খবর পেয়ে আড়ংঘাটা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ হত্যাকাণ্ডে স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে গভীর শোক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। সাংবাদিক নেতারা দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

পুলিশ বলছে, এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।