
পবিত্র মাহে রমজানকে সামনে রেখে কেঁওচিয়া সমিতি-চট্টগ্রামের উদ্যোগে ইউনিয়নের নয়টি ওয়ার্ডে প্রায় ৫০০ অসচ্ছল ও নিম্নআয়ের পরিবারের মাঝে সেহরি ও ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দিনব্যাপী কেঁওচিয়া ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডে এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। সমিতির নেতৃবৃন্দ সরেজমিনে উপস্থিত থেকে উপকারভোগীদের হাতে খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন। বিতরণকৃত সামগ্রীর মধ্যে ছিল চাল, ডাল, তেল, ছোলা, চিনি, খেজুরসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন উপকরণ।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সমিতির সভাপতি এম এ জাহের চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মিজানুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টা আলহাজ্ব নেজাম উদ্দিন, কেঁওচিয়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মহসিন, ফারুক আজম, মাঈন উদ্দিন, অধ্যাপক আব্দুল গনি, মো. নাজিম উদ্দীন, জাহাঙ্গীর আলম, আব্দুল মোমেন রাশেদ, জাহেদুল ইসলাম, নাজিম উদ্দিন, আব্দুল আলিম, আব্দুর রাজ্জাক রুবেল, এড. সাইফুদ্দিন হাসান, এড. হিজবুল হক, খোরশেদ আলম, মাওলানা ইউসুফ, আফাজ উদ্দীন সিদ্দিকী, মাসুদুর রহমান, কাইছার হামিদ, বাবু বিপ্লব দাশ বাবলা, সোলাইমান বাবুল, ডা. মিনহাজুল আবেদিন, জামাল উদ্দিন, ঈসমাইল হোসেন রুবেল, সেলিম উদ্দিন, আমিনুল ইসলামসহ আরও অনেকে।
সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মিজানুর রহমান বলেন, সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব। ভবিষ্যতেও কেঁওচিয়ার যেকোনো প্রয়োজনে অতীতের মতো সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। মিজানুর রহমান বলেন—
“সমাজের যারা কষ্টে আছেন, তাদের মুখে হাসি ফোটানোই আমাদের প্রকৃত ইবাদত। কেঁওচিয়া সমিতি সবসময় মানুষের পাশে ছিল, আছে এবং থাকবে।”
তিনি আরও বলেন,
“ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে সম্মিলিতভাবে কাজ করলে একটি সমাজ বদলে যায়। আমরা কেঁওচিয়াকে একটি মানবিক ও সহানুভূতিশীল সমাজ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য করা প্রতিটি মানবিক উদ্যোগই আমাদের চলার প্রেরণা।”
মুহাম্মদ নাজিম উদ্দিন 
