ঢাকা ০৯:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কাল উদ্বোধন হচ্ছে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সেতুর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক,দেশাবাংলা ডটনেট

চালু হতে যাচ্ছে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সেতু ‘হংকং-ঝুহাই-ম্যাকাও ব্রিজ। চীনের দক্ষিণের শহর ঝুহাইয়ের সঙ্গে হংকং ও চীনের সিটমহল ম্যাকাওয়ের মধ্যে সংযোগ স্থাপনে নির্মিত হয়েছে সেতুটি।

২০ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে নির্মিত ৫৫ কিলোমিটার (৩৪ মাইল) দীর্ঘ সেতুটির কাজ গত বছরের ডিসেম্বরে শেষ হয়। আগামীকাল মঙ্গলবার (২৩ অক্টোবর) উদ্বোধন করা হবে। আর জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হবে পরের দিন বুধবার। নির্মাণের ৯ বছর পর চালু হতে যাচ্ছে এটি।

ঝুহাইতে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হংকং ও মাকাউয়ের শীর্ষ কর্মকর্তাসহ চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং অংশগ্রহণ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

সেতুটি চালু হলে দক্ষিণ চীনের ৫৬ হাজার ৫০০ বর্গ কিলোমিটার (২১ হাজার ৮০০ বর্গ মাইল) এলাকার মানুষের সঙ্গে হংকং ও ম্যাকাউসহ ১১টি শহরের ৬৮ মিলিয়ন মানুষের যোগাযোগ সহজ হবে। উভয় অঞ্চলের যাত্রী ও যানবাহনগুলো সরাসরি এক অঞ্চল থেকে আরেক অঞ্চলে আসা-যাওয়া করতে পারবে।

সেতুটি ব্যবহারের ক্ষেত্রে পর্যটকদের সুবিধার কথা চিন্তা করে ম্যাকাও ও ঝুহাইয়ের মধ্যে কাস্টমস ক্লিয়ারেন্সের জন্য একটি যৌথ তদারকি এবং একবারের ছাড়পত্র নীতি অনুসরণ করা হবে। অর্থাৎ নতুন এ কাস্টমস সিস্টেমের অধীনেএই সেতু দিয়ে পর্যটকদের এক অঞ্চল থেকে আরেক অঞ্চলে যেতে একবারই ছাড়পত্র দেখাতে হবে।

প্রক্রিয়াটি হতে পারে অটোমেটিক বা সেমি-অটোমেটিক বা ম্যানুয়াল।
পৃথিবীর এই দীর্ঘতম সমুদ্র সেতু ব্যবহার করে হংকং থেকে ঝুহাই যেতে সময় লাগবে মাত্র ৩০ মিনিট। যেখানে আগে সময় লাগত তিন ঘণ্টারও বেশি। ইংরেজি বর্ণমালা ‘ওয়াই’ আকৃতির মতো দেখতে সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০১১ সালে। কোনো রকম মেরামত না করে ১২০ বছর অনায়াসে ব্যবহার করা যাবে সেতুটি।

ট্যাগ:
রিপোর্টার এর তথ্য

জনপ্রিয় পোস্ট

কাল উদ্বোধন হচ্ছে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সেতুর

প্রকাশিত: ০২:৩৮:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ অক্টোবর ২০১৮

আন্তর্জাতিক ডেস্ক,দেশাবাংলা ডটনেট

চালু হতে যাচ্ছে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সেতু ‘হংকং-ঝুহাই-ম্যাকাও ব্রিজ। চীনের দক্ষিণের শহর ঝুহাইয়ের সঙ্গে হংকং ও চীনের সিটমহল ম্যাকাওয়ের মধ্যে সংযোগ স্থাপনে নির্মিত হয়েছে সেতুটি।

২০ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে নির্মিত ৫৫ কিলোমিটার (৩৪ মাইল) দীর্ঘ সেতুটির কাজ গত বছরের ডিসেম্বরে শেষ হয়। আগামীকাল মঙ্গলবার (২৩ অক্টোবর) উদ্বোধন করা হবে। আর জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হবে পরের দিন বুধবার। নির্মাণের ৯ বছর পর চালু হতে যাচ্ছে এটি।

ঝুহাইতে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হংকং ও মাকাউয়ের শীর্ষ কর্মকর্তাসহ চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং অংশগ্রহণ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

সেতুটি চালু হলে দক্ষিণ চীনের ৫৬ হাজার ৫০০ বর্গ কিলোমিটার (২১ হাজার ৮০০ বর্গ মাইল) এলাকার মানুষের সঙ্গে হংকং ও ম্যাকাউসহ ১১টি শহরের ৬৮ মিলিয়ন মানুষের যোগাযোগ সহজ হবে। উভয় অঞ্চলের যাত্রী ও যানবাহনগুলো সরাসরি এক অঞ্চল থেকে আরেক অঞ্চলে আসা-যাওয়া করতে পারবে।

সেতুটি ব্যবহারের ক্ষেত্রে পর্যটকদের সুবিধার কথা চিন্তা করে ম্যাকাও ও ঝুহাইয়ের মধ্যে কাস্টমস ক্লিয়ারেন্সের জন্য একটি যৌথ তদারকি এবং একবারের ছাড়পত্র নীতি অনুসরণ করা হবে। অর্থাৎ নতুন এ কাস্টমস সিস্টেমের অধীনেএই সেতু দিয়ে পর্যটকদের এক অঞ্চল থেকে আরেক অঞ্চলে যেতে একবারই ছাড়পত্র দেখাতে হবে।

প্রক্রিয়াটি হতে পারে অটোমেটিক বা সেমি-অটোমেটিক বা ম্যানুয়াল।
পৃথিবীর এই দীর্ঘতম সমুদ্র সেতু ব্যবহার করে হংকং থেকে ঝুহাই যেতে সময় লাগবে মাত্র ৩০ মিনিট। যেখানে আগে সময় লাগত তিন ঘণ্টারও বেশি। ইংরেজি বর্ণমালা ‘ওয়াই’ আকৃতির মতো দেখতে সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০১১ সালে। কোনো রকম মেরামত না করে ১২০ বছর অনায়াসে ব্যবহার করা যাবে সেতুটি।