
রায়হান সিকদারঃ
করোনা ভাইরাস প্রানঘাতি মহামারি রোগ হিসেবে পুরো দেশ ধারণ করেছে । করোনা ভাইরাসের কারণে পুরো দেশ এখন নিশ্চুপ।
করোনা প্রতিরোধে লোহাগাড়ায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন উপজেলা প্রশাসন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও পুলিশ। লোহাগাড়ায় চলছে লকডাউন।সরকারী নির্দেশনা মেনে সবাই ঘরবন্দি রয়েছে।
করোনা ভাইরাসে ঝুঁকি নিয়ে ফ্লু কর্ণারসহ বিভিন্ন ধরণের চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকরা।উপজেলা স্বাস্থ্য প.প কর্মকর্তা ডাঃ মোহাম্মদ হানিফের নেতৃত্বে হাসপাতালের সকল চিকিৎসক,স্টাফ ও নার্সগণ ঝুঁকি নিয়ে চিকিৎসা সেবা প্রদান করছেন।
জানা যায়, প্রানঘাতি করোনা ভাইরাসে এই পর্যন্ত লোহাগাড়ায় ২৬ পজেটিভ আসে।পরে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ ল্যাবে নমুনা পরীক্ষায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১২জন স্বাস্থ্য কর্মীসহ ১৫জন নেগেটিভ আসে।এর মধ্য ১ ব্যবসায়ীর মৃত্যুবরণ করেছেন।লোহাগাড়ায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১১জন। ইতিমধ্যে ২০ শয্যা বিশিষ্ট একটি আইসোলেশন ওয়ার্ড প্রস্তুত রাখা হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সাধীন ট্রমা সেন্টারে মোট ৩জন করোনা আক্রান্ত রোগী আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য প.প কর্মকর্তা ডাঃ মোহাম্মদ হানিফ জানান, করোনা প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন হতে হবে। সরকারী নির্দেশনা মোতাবেক জীবনের ঝুঁকি নিয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সকল চিকিৎসক, নার্স ও স্টাফগণ নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
তিনি আরো জানান, মাননীয় এমপি মহোদয়,বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ও সিভিল সার্জন মহোদয় করোনা সংক্রান্ত বিষয়ে মানুষের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দিয়েছেন।ওনাদের নির্দেশনায় আমরা করোনা দুর্যোগে কাজ করে যাচ্ছি। তিনি আরো জানান,
উপজেলা প্রশাসন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও থানা পুলিশ আমাদেরকে সর্বাত্মক সহযোগীতা দিয়ে যাচ্ছেন।লোহাগাড়ায় করোনা পজেটিভ ছিল ২৬জন। এদের মধ্য সন্দেহ হলে কক্সবাজার সরকারী মেডিকেল ল্যাবে নমুনা পরীক্ষায় ১২জন স্বাস্থ্য কর্মীসহ ১৫জনের নেগেটিভ আসে।এখন মোট আক্রান্ত ১১জন। বর্তমানে আইসোলেশনে করোনা রোগী ৩জন চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করছেন।আজকেও কোন করোনা রোগী লোহাগাড়ায় সনাক্ত হয়নি। আমরা অবশ্যই করোনা যুদ্ধে বিজয়ী হবো ইনশাল্লাহ।
তিনি সকলকে সচেতন থাকতে,ঘরে নিরাপদে থাকলে, সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে বিনীতভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন।
দেশ বাংলা ডট নেট ডেস্ক 




















