
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা মনে করছেন, দেশজুড়ে চলা অভিযানের মুখে মাদক কারবারিরা এই কৌশল নিয়েছে।
র্যাব-৩ এর একটি দল শনিবার মধ্যরাতে রাজধানীর রামপুরায় সাদা ইয়াবার একটি চালান আটক করেছে।
তবে সাদা ইয়াবা আটকের ঘটনা এটিই প্রথম নয়। টেকনাফে বিজিবি দুইমাস আগে প্রায় সাড়ে তিন লাখ সাদা ইয়াবা আটক করেছিল।
র্যাব জানায়, শনিবার মধ্যরাতে র্যাব-৩ এর একটি দল হাতিরঝিল থানা এলাকার পশ্চিম রামপুরা উলন রোডের থাই আবাসিক এলাকার এক নম্বর গেটের সামনে অভিযান চালিয়ে রাজিব মোল্লা (২২) নামের এক যুবককে ৮০টি ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করে।
র্যাবের মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক মুফতি মাহমুদ খান সাংবাদিকদের বলেন, “ইয়াবাগুলো সাদা হওয়ায় র্যাব সদস্যরা প্রথমে বিভ্রান্তির মধ্যে ছিল। পরে পরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়া যায় এগুলোতে নিষিদ্ধ অ্যামফিটামিন উপাদান রয়েছে, যা প্রচলিত গোলাপি ইয়াবায় থাকে।”
র্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, “রাজিব জানিয়েছে সে দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবার ব্যবসায় জড়িত। টেকনাফের এক মাদক ব্যবসায়ীর মাধ্যমে সে ইয়াবা এনে রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করে।”
এদিকে বিজিবির একটি দায়িত্বশীল সূত্র বলছে, ইয়াবা এখন বিভিন্ন রঙে বাজারজাত হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা কৌশল হিসেবে ভিন্ন রঙের ইয়াবা আনছে।
টেকনাফ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আসাদুজ্জামান চৌধুরী রোববার রাতে সাংবাদিকদের বলেন, তাদের অভিযানে অধিকাংশই গোলাপি রঙের ইয়াবা ধরা পড়ে। তবে মাস দুয়েক আগে প্রায় সাড়ে তিন লাখ সাদা ইয়াবা জব্দ করেছিলেন তারা।
“এছাড়া সবুজ এবং নীল রংয়ের ইয়াবাও তাদের অভিযানে ধরা পড়েছে। তবে তা পরিমাণে অল্প।”
মাদকের কারবারিরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিভ্রান্ত করতে বিভিন্ন রঙের ইয়াবা দেশে আনছে বলে মনে করেন সীমান্তরক্ষী বাহিনীর এই কর্মকর্তা।
দেশ বাংলা ডট নেট ডেস্ক 



















