ঢাকা ০৫:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
মাঠ পর্যায়ে তদন্ত শুরু

এনসিপিসহ ১৬ দল প্রাথমিক বাছাইয়ে উত্তীর্ণ

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)সহ মোট ১৬টি রাজনৈতিক দল প্রাথমিক বাছাই পর্বে উত্তীর্ণ হয়েছে। এখন তাদের নিবন্ধন আবেদনের সত্যতা যাচাইয়ে মাঠ পর্যায়ে তদন্ত চালাবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

রোববার (১০ আগস্ট) ইসির অতিরিক্ত সচিব কে এম আলী নেওয়াজ বাংলানিউজকে জানান, “এনসিপিসহ ১৬টি দলকে মাঠ পর্যায়ে যাচাই-বাছাইয়ের জন্য তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।”

এবার ১৪৫টি দল নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছিল। প্রাথমিক যাচাইয়ে অনেক দল শর্ত পূরণ করতে ব্যর্থ হলে ইসি ৩ আগস্ট পর্যন্ত ঘাটতি পূরণের সুযোগ দেয়। পরে ৮০টি দল প্রয়োজনীয় তথ্য জমা দেয়, এর মধ্যে ১৬টি দল প্রাথমিক বাছাইয়ে টিকে যায়।

আইন অনুযায়ী, কোনো দলের নিবন্ধন পেতে হলে—

একটি কেন্দ্রীয় কমিটি,

অন্তত এক-তৃতীয়াংশ জেলা ও ১০০টি উপজেলা কমিটি,

প্রতিটি কমিটিতে ন্যূনতম ২০০ ভোটারের সমর্থনের প্রমাণ থাকতে হবে।

এছাড়া, কোনো দলের প্রার্থী যদি আগে সংসদ সদস্য হয়ে থাকেন বা পূর্ববর্তী নির্বাচনে কমপক্ষে ৫% ভোট পান, তাহলেও নিবন্ধনের যোগ্যতা অর্জন করতে পারেন।

নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় প্রথমে আবেদনগুলোর প্রাথমিক বাছাই হয়, পরে মাঠ পর্যায়ে যাচাই-বাছাই শেষে দাবি-আপত্তি গ্রহণ ও শুনানি হয়। আপত্তি নিষ্পত্তি হলে যোগ্য দলকে নিবন্ধন সনদ দেয় ইসি। নিবন্ধন ছাড়া কোনো দল নিজস্ব প্রতীকে ভোটে অংশ নিতে পারে না।

বর্তমানে নিবন্ধিত দলের সংখ্যা ৫১টি। ২০০৮ সালের নবম সংসদ নির্বাচনের আগে নিবন্ধন প্রথা চালু হয়েছিল। এ পর্যন্ত ৫৫টি দল নিবন্ধন পেলেও শর্ত পূরণে ব্যর্থতা, শর্ত লঙ্ঘন বা আদালতের আদেশে পাঁচটি দলের নিবন্ধন বাতিল করা হয়— জামায়াতে ইসলামী, ফ্রিডম পার্টি, ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলন, পিডিপি ও জাগপা। সাম্প্রতিক আদালতের রায়ে জামায়াত ও জাগপার নিবন্ধন ফেরত এলেও ইসি এখন পর্যন্ত কেবল জামায়াতের নিবন্ধন পুনঃবহাল করেছে।

 

ট্যাগ:
রিপোর্টার এর তথ্য

জনপ্রিয় পোস্ট

মাঠ পর্যায়ে তদন্ত শুরু

এনসিপিসহ ১৬ দল প্রাথমিক বাছাইয়ে উত্তীর্ণ

প্রকাশিত: ০৯:১৫:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৫

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)সহ মোট ১৬টি রাজনৈতিক দল প্রাথমিক বাছাই পর্বে উত্তীর্ণ হয়েছে। এখন তাদের নিবন্ধন আবেদনের সত্যতা যাচাইয়ে মাঠ পর্যায়ে তদন্ত চালাবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

রোববার (১০ আগস্ট) ইসির অতিরিক্ত সচিব কে এম আলী নেওয়াজ বাংলানিউজকে জানান, “এনসিপিসহ ১৬টি দলকে মাঠ পর্যায়ে যাচাই-বাছাইয়ের জন্য তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।”

এবার ১৪৫টি দল নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছিল। প্রাথমিক যাচাইয়ে অনেক দল শর্ত পূরণ করতে ব্যর্থ হলে ইসি ৩ আগস্ট পর্যন্ত ঘাটতি পূরণের সুযোগ দেয়। পরে ৮০টি দল প্রয়োজনীয় তথ্য জমা দেয়, এর মধ্যে ১৬টি দল প্রাথমিক বাছাইয়ে টিকে যায়।

আইন অনুযায়ী, কোনো দলের নিবন্ধন পেতে হলে—

একটি কেন্দ্রীয় কমিটি,

অন্তত এক-তৃতীয়াংশ জেলা ও ১০০টি উপজেলা কমিটি,

প্রতিটি কমিটিতে ন্যূনতম ২০০ ভোটারের সমর্থনের প্রমাণ থাকতে হবে।

এছাড়া, কোনো দলের প্রার্থী যদি আগে সংসদ সদস্য হয়ে থাকেন বা পূর্ববর্তী নির্বাচনে কমপক্ষে ৫% ভোট পান, তাহলেও নিবন্ধনের যোগ্যতা অর্জন করতে পারেন।

নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় প্রথমে আবেদনগুলোর প্রাথমিক বাছাই হয়, পরে মাঠ পর্যায়ে যাচাই-বাছাই শেষে দাবি-আপত্তি গ্রহণ ও শুনানি হয়। আপত্তি নিষ্পত্তি হলে যোগ্য দলকে নিবন্ধন সনদ দেয় ইসি। নিবন্ধন ছাড়া কোনো দল নিজস্ব প্রতীকে ভোটে অংশ নিতে পারে না।

বর্তমানে নিবন্ধিত দলের সংখ্যা ৫১টি। ২০০৮ সালের নবম সংসদ নির্বাচনের আগে নিবন্ধন প্রথা চালু হয়েছিল। এ পর্যন্ত ৫৫টি দল নিবন্ধন পেলেও শর্ত পূরণে ব্যর্থতা, শর্ত লঙ্ঘন বা আদালতের আদেশে পাঁচটি দলের নিবন্ধন বাতিল করা হয়— জামায়াতে ইসলামী, ফ্রিডম পার্টি, ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলন, পিডিপি ও জাগপা। সাম্প্রতিক আদালতের রায়ে জামায়াত ও জাগপার নিবন্ধন ফেরত এলেও ইসি এখন পর্যন্ত কেবল জামায়াতের নিবন্ধন পুনঃবহাল করেছে।