
সোমবার ভোরে ইরানি সশস্ত্র বাহিনী ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে।
এই পাল্টা আক্রমণ চালানো হয় ইহুদিবাদী দখলদার বাহিনীর পক্ষ থেকে ইরানের ভূখণ্ডে বর্বর আগ্রাসনের জবাবে।
ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অকারণে ও উসকানিমূলকভাবে ইসরায়েলের হামলা দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার বিরুদ্ধে সরাসরি আঘাত হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। ফলে ইরান বাধ্য হয়েছে “অপরাধী জায়নবাদী শক্তিকে” উপযুক্ত জবাব দিতে।
এই অভিযানের অংশ হিসেবে ইরান সোমবার সকালে ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ-৩’ (Operation True Promise III) নামে একযোগে বিপুল পরিমাণ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে দেয় দখলদার ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে।
⚡ বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হাইফায়, আতঙ্কে পুরো অঞ্চল
ইসরায়েলি গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, দুইটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র উত্তরাঞ্চলের হাইফা শহরের মূল বিদ্যুৎ কেন্দ্রকে লক্ষ্য করে আঘাত হানে। এর ফলে দখলদার ফিলিস্তিনের মধ্যাঞ্চলে বিস্তৃত এলাকাজুড়ে বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দেয়।
🎯 তেল আবিব, হাইফা ও গোলান মালভূমি ইরানের টার্গেটে
নতুন করে চালানো ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় হাইফা, তেল আবিব ও দখলকৃত গোলান অঞ্চল ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
জায়নবাদী সংবাদসূত্রগুলো এটিকে “ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের পূর্ববর্তী আক্রমণের পর সবচেয়ে ভয়াবহ প্রতিশোধমূলক হামলা” বলে বর্ণনা করছে।
🚀 আট দফা হামলায় চূর্ণ ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা
আল জাজিরা জানিয়েছে, ইরানের পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় চালানো অষ্টম দফার ক্ষেপণাস্ত্র হামলাও ছিল বিধ্বংসী।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা ব্যূহ — আয়রন ডোম ও ডেভিড স্লিং — এত বিশাল সংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ঠেকাতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে।
🕊️ পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী প্রতিরক্ষা, ইরান জানায়
তেহরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইসরায়েলের আগ্রাসন বন্ধ না হলে আরও বৃহৎ পরিসরে প্রতিরোধমূলক আঘাত চালানো হবে।
“আমরা যুদ্ধ চাই না, তবে নিজেদের জনগণ, ভূখণ্ড ও মর্যাদার বিরুদ্ধে হামলার জবাব দিতেই হবে,” বলে উল্লেখ করেছে ইসলামিক রেভ্যুলুশনারি গার্ড (IRGC)।
শহীদুল ইসলাম বাবর 























