
চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী আন্দরকিল্লাহ শাহী জামে মসজিদ পুনঃনির্মাণ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের লক্ষ্যে এক সভা আগারগাঁও শেরেবাংলা নগরস্থ ইসলামিক ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে গতকাল বুধবার দুপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব একেএম আফতাব হোসেন প্রামানিক। সঞ্চালনা করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক আব্দুস সালাম খান।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সরকারের ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা, চট্টগ্রামের কৃতি সন্তান, বিশিষ্ট চিন্তাবিদ ও ইসলামিক স্কলার প্রফেসর ড. আ ফ. ম. খালিদ হোসেইন। সভার আলোচ্যসূচির মূল বিষয় ছিল চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক শাহী জামে মসজিদ পুনর্নির্মাণ প্রকল্প।
সভায় উপস্থিত ছিলেন মসজিদের নকশাকার বিখ্যাত আর্কিটেক্ট সাদেকুল বশর ও তাঁর টিম। এছাড়া ছিলেন, শাহী জামে মসজিদ মুসল্লি পরিষদের সভাপতি ও একে খান ফাউন্ডেশনের ট্রাস্টি সেক্রেটারি, তুরস্কের সাবেক অনারারি কনসাল সালাউদ্দিন কাশেম খান, মুসল্লি পরিষদের সহ-সভাপতি সাতকানিয়া লোহাগাড়া আসনের সাবেক এমপি আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী, মানবসেবামূলক প্রতিষ্ঠান আল-মানাহিলের চেয়ারম্যান মাওলানা হেলাল উদ্দিন ও চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের আইন উপদেষ্টা এডভোকেট এ এম জিয়া হাবীব আহসান প্রমুখ।
এছাড়া ইসলামিক ফাউন্ডেশনের গভর্নর ও শাহী জামে মসজিদের খতিব, আওলাদে রাসুল (সা.) হজরত আনোয়ার হোসেন তাহের আল জাবেরীসহ গভর্নিং বডির অন্যান্য সদস্যও সভায় উপস্থিত ছিলেন।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে প্রণীত নকশার আলোকে শাহী জামে মসজিদের পুনর্নির্মাণ কাজ অতি দ্রুত শুরু করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ২৬৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে ১১ কোটি টাকা অনুদান প্রদানের ঘোষণা দেওয়া হয়।
বাকি অর্থ চট্টগ্রামবাসীর সহযোগিতা এবং দেশ-বিদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের অনুদান থেকে সংগ্রহ করা হবে বলে সভায় আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। এজন্য শিগগিরই ধর্ম উপদেষ্টা প্রফেসর ড. আ ফ. ম. খালিদ হোসেইনের উপস্থিতিতে চট্টগ্রামের ধনাঢ্য ব্যক্তিদের নিয়ে বিশেষ চা-চক্রের আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সভায় প্রবাসীসহ দেশি-বিদেশি মুসলমানদের প্রতি এই পুনর্নির্মাণ প্রকল্পে সহযোগিতা প্রদানের আহ্বান জানানো হয়।
এই বিষয়ে সাবেক এমপি আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী বলেন,আমরা দীর্ঘদিন থেকে আন্দরকিল্লাহ শাহী জামে মসজিদটি পুনর্নির্মাণের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। সর্বশেষ ধর্ম উপদেষ্টা বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন ড. আ ফ ম খালেদ হোসেনের প্রচেষ্টায় অনেক দূর এগিয়ে গেছি। আলহামদুলিল্লাহ খুব শীঘ্রই মসজিদটির পুনঃনির্মাণের কাজ শুরু করা যাবে ইনশাল্লাহ।
শহীদুল ইসলাম বাবর 



















