
শুক্রবার রাজধানীর গুলশানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর রাজনীতিতে ফেরার বিষয়টি ভবিষ্যতের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের ওপর নির্ভর করবে।
আওয়ামী লীগের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে দলটির বিষয়ে স্পষ্ট সিদ্ধান্ত জানিয়েছে এবং সরকার তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছে। পরবর্তীতে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করেই দলটির ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে।
বিএনপির সম্ভাব্য সরকার গঠন: আনন্দ ও বেদনার মিশ্র অনুভূতি
দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সরকার গঠনের দ্বারপ্রান্তে— এমন প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, অনুভূতি আনন্দের হলেও এতে বেদনার সুরও রয়েছে। তিনি স্মরণ করেন দলের প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া-কে, যিনি এই বিজয় দেখে যেতে পারেননি।
তিনি আরও বলেন, বহু প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত এই নির্বাচন ছিল স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য।
সামনে বড় চ্যালেঞ্জ
মির্জা ফখরুলের মতে, বিজয়ের ধারাকে ধরে রাখতে পারলে গণতন্ত্র সুসংহত করা সম্ভব। তবে সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন—
অর্থনীতি সচল করা
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ
ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা দুর্নীতি দমন
প্রেক্ষাপট
ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ৫ আগস্ট ২০২৪ সালে শেখ হাসিনা নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। পরবর্তীতে অন্তর্বর্তী সরকার দলটির কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকায় দলটি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি।
দেশ বাংলা ডট নেট ডেস্ক 
























