ঢাকা ০৭:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রকাশিত সংবাদ প্রসঙ্গে ইলিয়াস চৌধুরীর বক্তব্য

গত ১২ ই অক্টোবর চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত দৈনিক পূর্বকোণ,দৈনিক আজাদী ও দৈনিক পূর্বদেশ পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ প্রসঙ্গে নিজের বক্তব্য দিয়েছেন সাতকানিয়া উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধূরী। তিনি বলেন, গত ১০ অক্টোবর রাত আনুমানিক ৮ টার সময় আমি ধর্মপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মনজুর কামাল চৌধুরী,সাতকানিয়ায় আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক শফিকুল ইসলাম তৌহিদ, সাতকানিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি রহমতউল্লাহ বাবলু কে সাথে নিয়ে বিশ্বাসের হাটে সাতকানিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী জনাব এম এ মোতালেব সাহেবের নির্বাচনী কার্যালয়ে বসে বিভিন্ন ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নিয়ে নির্বাচনী এজেন্ট সংগ্রহ ও নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনার সময় ছাত্রলীগের নাফিস ও মোনায়েম সহ ৫/৬ জন কর্মী এসে অভিযোগ করে যে, রিকশা চালক আবু তাহেরের ছেলে ইদ্রিস প্রকাশ (গাজাঁ ইদ্রিস) ১২/১৪  জন লোক নিয়ে ছাত্রলীগের ছেলেদের হাত থেকে নৌকার প্রচারণায়লিপলেট কেড়ে নেয় এবং ওদের বাড়িতে গিয়ে বাবা মাকে তাদেরকে নৌকার পক্ষে প্রচারণা বন্ধের জন্য হুমকি দিয়ে আসে। এই অভিযোগ শোনার পর আমি গ্রামপুলিশ আব্দুস সবুর কে দিয়ে তাকে নির্বাচন অফিসে ডেকে এই ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার জন্য সতর্ক করি।
এর কিছুক্ষণের মধ্যে সালাউদ্দিন মাসুদ ( ভুয়া মেজর, প্রকাশ ইয়াবা মাসুদের  নেতৃত্বে ধর্মপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র সহ-সভাপতি কাজী বেলাল, জিয়াউল হোসেন লেডু, হেসাম উদ্দিন, আব্দুস সামাদ ভেট্টা, জামাত কর্মী আইউব, আবু সিদ্দিক সহ ২০/২৫  জন লোক লাঠিসোঁটা নিয়ে আমাদেরকে আক্রমণ করার জন্য বিশ্বাসের হাটের দিকে আসার সংবাদ বিশ্বাসের হাটে শুনলে আওয়ামী লীগ যুবলীগ ছাত্রলীগের লোকজন তাদেরকে ধাওয়া করে। এরপর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সালাউদ্দিন ভাই আমাকে ফোন করে ইদ্রিসকে ওনার সমর্থনে পরশমণি কমিউনিটি সেন্টারে যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয় সেখানে যাওয়ার কারণে তাকে নাকি আমি তাকে মারধর করার অভিযোগ তুলে। আমি উনাকে বললাম এই বিষয়ে এখানে কোনো আলাপ-আলোচনা হয় নাই আমাদের জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সম্পাদকের নির্দেশ যেহেতু আওয়ামী লীগের ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী একাধিক আছে তাই  আমরা শুধু আওয়ামী লীগের মনোনীত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এম এ মোতালেব সাহেবের পক্ষে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছি। এদিকে তারা ধাওয়া খেয়ে পুনরায় সংগঠিত হয়ে ধর্মপুর দরবার শরীফের কিছু সদস্যসহ ঐতিহ্যবাহী ধর্মপুর দরবার শরীফে চেয়ারম্যান তাহার দলবল নিয়ে হামলা করেছে মর্মে গুজব ছড়িয়ে ধর্মীয় উন্মাদনা সৃষ্টি করে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকা থেকে দরবাবেরর মুরিদান, ভক্তদের সমবেত  করে আওয়ামী লীগ নেতা বিজিবি সুবেদার (অবসর প্রাপ্ত) গোলাম রউফের বাড়িতে ভাঙচুর চালায় ও ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা নাওসা মিয়া ও নাজিমকে মারধর করে। এই পরিস্থিতিতে সাতকানিয়া পুলিশ প্রশাসন তড়িৎ ব্যবস্থা না নিলে উশৃংখল মুরিদানগনের তান্ডবে পরিস্থিতি রামুর বৌদ্ধ মন্দিরে সংঘটিত ভয়াবহ নিশংসতাকেও হার মানাত। সেজন্য ধর্মপুর বাসীর পক্ষ থেকে আমি সাতকানিয়া পুলিশ প্রশাসনকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা পুনরাবৃত্তি না ঘটে  এবং ভীত-সন্ত্রস্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি না করার জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।
ট্যাগ:
রিপোর্টার এর তথ্য

জনপ্রিয় পোস্ট

প্রকাশিত সংবাদ প্রসঙ্গে ইলিয়াস চৌধুরীর বক্তব্য

প্রকাশিত: ০৮:০৬:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ অক্টোবর ২০১৯
গত ১২ ই অক্টোবর চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত দৈনিক পূর্বকোণ,দৈনিক আজাদী ও দৈনিক পূর্বদেশ পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ প্রসঙ্গে নিজের বক্তব্য দিয়েছেন সাতকানিয়া উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধূরী। তিনি বলেন, গত ১০ অক্টোবর রাত আনুমানিক ৮ টার সময় আমি ধর্মপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মনজুর কামাল চৌধুরী,সাতকানিয়ায় আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক শফিকুল ইসলাম তৌহিদ, সাতকানিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি রহমতউল্লাহ বাবলু কে সাথে নিয়ে বিশ্বাসের হাটে সাতকানিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী জনাব এম এ মোতালেব সাহেবের নির্বাচনী কার্যালয়ে বসে বিভিন্ন ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নিয়ে নির্বাচনী এজেন্ট সংগ্রহ ও নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনার সময় ছাত্রলীগের নাফিস ও মোনায়েম সহ ৫/৬ জন কর্মী এসে অভিযোগ করে যে, রিকশা চালক আবু তাহেরের ছেলে ইদ্রিস প্রকাশ (গাজাঁ ইদ্রিস) ১২/১৪  জন লোক নিয়ে ছাত্রলীগের ছেলেদের হাত থেকে নৌকার প্রচারণায়লিপলেট কেড়ে নেয় এবং ওদের বাড়িতে গিয়ে বাবা মাকে তাদেরকে নৌকার পক্ষে প্রচারণা বন্ধের জন্য হুমকি দিয়ে আসে। এই অভিযোগ শোনার পর আমি গ্রামপুলিশ আব্দুস সবুর কে দিয়ে তাকে নির্বাচন অফিসে ডেকে এই ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার জন্য সতর্ক করি।
এর কিছুক্ষণের মধ্যে সালাউদ্দিন মাসুদ ( ভুয়া মেজর, প্রকাশ ইয়াবা মাসুদের  নেতৃত্বে ধর্মপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র সহ-সভাপতি কাজী বেলাল, জিয়াউল হোসেন লেডু, হেসাম উদ্দিন, আব্দুস সামাদ ভেট্টা, জামাত কর্মী আইউব, আবু সিদ্দিক সহ ২০/২৫  জন লোক লাঠিসোঁটা নিয়ে আমাদেরকে আক্রমণ করার জন্য বিশ্বাসের হাটের দিকে আসার সংবাদ বিশ্বাসের হাটে শুনলে আওয়ামী লীগ যুবলীগ ছাত্রলীগের লোকজন তাদেরকে ধাওয়া করে। এরপর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সালাউদ্দিন ভাই আমাকে ফোন করে ইদ্রিসকে ওনার সমর্থনে পরশমণি কমিউনিটি সেন্টারে যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয় সেখানে যাওয়ার কারণে তাকে নাকি আমি তাকে মারধর করার অভিযোগ তুলে। আমি উনাকে বললাম এই বিষয়ে এখানে কোনো আলাপ-আলোচনা হয় নাই আমাদের জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সম্পাদকের নির্দেশ যেহেতু আওয়ামী লীগের ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী একাধিক আছে তাই  আমরা শুধু আওয়ামী লীগের মনোনীত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এম এ মোতালেব সাহেবের পক্ষে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছি। এদিকে তারা ধাওয়া খেয়ে পুনরায় সংগঠিত হয়ে ধর্মপুর দরবার শরীফের কিছু সদস্যসহ ঐতিহ্যবাহী ধর্মপুর দরবার শরীফে চেয়ারম্যান তাহার দলবল নিয়ে হামলা করেছে মর্মে গুজব ছড়িয়ে ধর্মীয় উন্মাদনা সৃষ্টি করে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকা থেকে দরবাবেরর মুরিদান, ভক্তদের সমবেত  করে আওয়ামী লীগ নেতা বিজিবি সুবেদার (অবসর প্রাপ্ত) গোলাম রউফের বাড়িতে ভাঙচুর চালায় ও ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা নাওসা মিয়া ও নাজিমকে মারধর করে। এই পরিস্থিতিতে সাতকানিয়া পুলিশ প্রশাসন তড়িৎ ব্যবস্থা না নিলে উশৃংখল মুরিদানগনের তান্ডবে পরিস্থিতি রামুর বৌদ্ধ মন্দিরে সংঘটিত ভয়াবহ নিশংসতাকেও হার মানাত। সেজন্য ধর্মপুর বাসীর পক্ষ থেকে আমি সাতকানিয়া পুলিশ প্রশাসনকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা পুনরাবৃত্তি না ঘটে  এবং ভীত-সন্ত্রস্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি না করার জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।