[primeitworld_print id="11575"]
ঢাকা ০৭:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ আব্দুল্লাহ`র মৃত্যুতে সাংসদ প্রফেসর ড.নদভীর গভীর শোক

 

রায়হান সিকদার,দেশবাংলা ডট নেটঃ

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট শেখ মো. আব্দুল্লাহর মৃত্যুতে গভীর শোক জ্ঞাপন করে এক বিবৃতি প্রদান করেন চট্টগ্রাম-১৫ সাতকানিয়া লোহাগাড়া আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য প্রফেসর ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী। শোকবার্তায় তিনি বলেছেন, ‌শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ এর মতো একজন গুণী, অভিজ্ঞ ও বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদের মৃত্যুতে জাতির যে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে, যা কখনোই পুরণীয় হবার নয়। আওয়ামী লীগ হারালো তৃণমূল থেকে উঠে আসা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন পরীক্ষিত সৈনিককে।
ছাত্র রাজনীতির মধ্য দিয়ে বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের সূচনা করেন শেখ মোঃ আবদুল্লাহ। ১৯৬৬-এর ছয় দফা আন্দোলনে ও ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে সক্রিয় অংশ নেন। সেই সময়ে গোপালগঞ্জ জেলা যুবলীগের সভাপতি ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ফ্রন্ট মুজিব বাহিনীর সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত হয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন তিনি। কাউন্সিলের মাধ্যমে তিনি গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। দীর্ঘদিন তিনি এ দায়িত্ব পালন করেন। তিনি জাতীয় পর্যায়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। ২০১৯ সালের ৭ জানুয়ারি ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব লাভ করেন।গোপালগঞ্জ-৩ আসনে শেখ হাসিনার সবকটি সংসদ নির্বাচনের প্রচারণা ও কার্যক্রমে ভূমিকা পালন করেন। রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে ব্যস্ততার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর নির্বাচনী এলাকার (টুঙ্গীপাড়া-কোটালীপাড়া) উন্নয়নে প্রতিনিধির দায়িত্ব দিয়েছিলেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শেখ মো. আব্দুল্লাহকে।
ড. আবু রেজা নদভী এমপি বলেন, কওমী ঘরানার রাজনীতিবিদ হিসেবে তাঁর সাথে আমার বিশেষ সখ্যতা গড়ে ওঠে। তিনি প্রায়ই বলতেন, “বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমার রাজনৈতিক নেতা। আর আল্লামা শামসুল হক ফরিদপুরী (রহ.) হলেন আমার ধর্মীয় নেতা। মাদরাসা শিক্ষা দিয়েই আমার শিক্ষা জীবন শুরু হয়। দেশের আলেম-ওলামাগণের পরামর্শ নিয়েই ধর্মীয় সেক্টরের উন্নয়ন করবো”। বিভিন্ন জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ এর সাথে ঘনিষ্টভাবে কাজ করার কথা উল্লেখ করে ড. নদভী বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রয়াত সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন বীরবিক্রম পিএসসি’র সার্বিক সহযোগিতায় আওয়ামী লীগের সাথে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশসহ বিভিন্ন ধর্মভিত্তিক দলসমূহের সম্পর্কন্নোয়ন এবং কওমি মাদ্রাসার সনদের স্বীকৃতি আদায়ে একসাথে কাজ করতে গিয়ে সুধী-সজ্জন ও অত্যন্ত অমায়িক স্বভাবের এই রাজনীতিবিদের কথা ও কাজের মধ্যে বরাবরই সামঞ্জস্যতা খুঁজে পেয়েছি।। কওমী সনদের স্বীকৃতি আদায়ে তাঁর নিররস প্রচেষ্টা কওমী মাদ্রাসা শিক্ষার ইতিহাসে মাইলফলক হয়ে থাকবে। তিনি বলেন, ২০১৭ সালে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ৪২ বৎসর পূর্তি অনুষ্ঠানে মক্কা ও মদিনা শরীফের খতিব-ইমামদের আমন্ত্রণ জানাতে আমরা সফরসঙ্গী ছিলাম।
শোকবার্তায় ড.আবু রেজা নদভী এমপি শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ এর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন.

ট্যাগ:
রিপোর্টার এর তথ্য

জনপ্রিয় পোস্ট

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ আব্দুল্লাহ`র মৃত্যুতে সাংসদ প্রফেসর ড.নদভীর গভীর শোক

প্রকাশিত: ০৫:১৪:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২০

 

রায়হান সিকদার,দেশবাংলা ডট নেটঃ

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট শেখ মো. আব্দুল্লাহর মৃত্যুতে গভীর শোক জ্ঞাপন করে এক বিবৃতি প্রদান করেন চট্টগ্রাম-১৫ সাতকানিয়া লোহাগাড়া আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য প্রফেসর ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী। শোকবার্তায় তিনি বলেছেন, ‌শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ এর মতো একজন গুণী, অভিজ্ঞ ও বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদের মৃত্যুতে জাতির যে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে, যা কখনোই পুরণীয় হবার নয়। আওয়ামী লীগ হারালো তৃণমূল থেকে উঠে আসা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন পরীক্ষিত সৈনিককে।
ছাত্র রাজনীতির মধ্য দিয়ে বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের সূচনা করেন শেখ মোঃ আবদুল্লাহ। ১৯৬৬-এর ছয় দফা আন্দোলনে ও ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে সক্রিয় অংশ নেন। সেই সময়ে গোপালগঞ্জ জেলা যুবলীগের সভাপতি ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ফ্রন্ট মুজিব বাহিনীর সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত হয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন তিনি। কাউন্সিলের মাধ্যমে তিনি গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। দীর্ঘদিন তিনি এ দায়িত্ব পালন করেন। তিনি জাতীয় পর্যায়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। ২০১৯ সালের ৭ জানুয়ারি ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব লাভ করেন।গোপালগঞ্জ-৩ আসনে শেখ হাসিনার সবকটি সংসদ নির্বাচনের প্রচারণা ও কার্যক্রমে ভূমিকা পালন করেন। রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে ব্যস্ততার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর নির্বাচনী এলাকার (টুঙ্গীপাড়া-কোটালীপাড়া) উন্নয়নে প্রতিনিধির দায়িত্ব দিয়েছিলেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শেখ মো. আব্দুল্লাহকে।
ড. আবু রেজা নদভী এমপি বলেন, কওমী ঘরানার রাজনীতিবিদ হিসেবে তাঁর সাথে আমার বিশেষ সখ্যতা গড়ে ওঠে। তিনি প্রায়ই বলতেন, “বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমার রাজনৈতিক নেতা। আর আল্লামা শামসুল হক ফরিদপুরী (রহ.) হলেন আমার ধর্মীয় নেতা। মাদরাসা শিক্ষা দিয়েই আমার শিক্ষা জীবন শুরু হয়। দেশের আলেম-ওলামাগণের পরামর্শ নিয়েই ধর্মীয় সেক্টরের উন্নয়ন করবো”। বিভিন্ন জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ এর সাথে ঘনিষ্টভাবে কাজ করার কথা উল্লেখ করে ড. নদভী বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রয়াত সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন বীরবিক্রম পিএসসি’র সার্বিক সহযোগিতায় আওয়ামী লীগের সাথে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশসহ বিভিন্ন ধর্মভিত্তিক দলসমূহের সম্পর্কন্নোয়ন এবং কওমি মাদ্রাসার সনদের স্বীকৃতি আদায়ে একসাথে কাজ করতে গিয়ে সুধী-সজ্জন ও অত্যন্ত অমায়িক স্বভাবের এই রাজনীতিবিদের কথা ও কাজের মধ্যে বরাবরই সামঞ্জস্যতা খুঁজে পেয়েছি।। কওমী সনদের স্বীকৃতি আদায়ে তাঁর নিররস প্রচেষ্টা কওমী মাদ্রাসা শিক্ষার ইতিহাসে মাইলফলক হয়ে থাকবে। তিনি বলেন, ২০১৭ সালে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ৪২ বৎসর পূর্তি অনুষ্ঠানে মক্কা ও মদিনা শরীফের খতিব-ইমামদের আমন্ত্রণ জানাতে আমরা সফরসঙ্গী ছিলাম।
শোকবার্তায় ড.আবু রেজা নদভী এমপি শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ এর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন.