
নিজস্ব প্রতিবেদক, দেশবাংলা ডট নেটঃ
ধর্ম প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ করোনায় মৃত্যু বরণ করায় এখন আলোচনায় এ পদে কে আসছেন? তবে এ পদে কে আসবেন তা একান্তই প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত হলেও আলোচনায় আছেন দুজন আলেম। তারা হলেন, শোলাকিয়ার ইমাম ও জমিয়াতুল উলামার চেয়ারম্যান মাওলানা ফরিদ উদ্দীন মাসউদ। আরেকজন হলেন চট্টগ্রামের সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার সরকার দলীয় সংসদ সদস্য প্রফেসর ড. আবু রেজা নেজাম উদ্দীন নদভী।
সরকারের নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে এ তথ্য জানা গেছে। কেননা মন্ত্রী সভার সদস্য নিয়োগটি একান্তই প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার হওয়ায় এ বিষয়ে দায়িত্বশীল কেউই মুখ খোলতে নারাজ।
তবে সংশ্লিষ্টদের সাথে image কথা বলে জানা গেছে, টেকনোক্র্যাট কোটায় এবার ধর্ম মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী নিয়োগ দেওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এর আগে পরপর দুই মেয়াদে এই মন্ত্রণালয়ে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ পেয়েছিল।
২০১৪ সালের মন্ত্রীসভায় টেকনোক্র্যাট ধর্মমন্ত্রী ছিলেন অধ্যক্ষ মতিউর রহমান। এরপরের বার ২০১৯ সালে আওয়ামী লীগের তৎকালীন ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। তিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ১৪ জুন রাতে রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) তার মারা যান।
শূণ্য এ পদে এবারও টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী আসার সম্ভাবনা বেশি। সে হিসাবে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে আলোচনায় আছেন শোলাকিয়ার ইমাম ও জমিয়াতুল উলামার চেয়ারম্যান মাওলানা ফরিদ উদ্দীন মাসউদ। তার সাথে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে সম্পর্ক খুবই চমৎকার। বিশেষ করে জঙ্গিবাদ বিরোধী আন্দোলনে তিনি আলেম হিসেবে দারুন ভূমিকা রেখেছেন। এছাড়াও অভ্যন্তরীণ ধর্ম ভিত্তিক রাজনৈতিক বিষয়ের কারণেও ধর্ম মন্ত্রণালয়ে তাকে নিয়োগ দেওয়ার সম্ভাবনা আছে।
অন্যদিকে, এগিয়ে না থাকলেও আলোচনায় আছেন চট্টগ্রামের সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার সাংসদ প্রফেসর ড. আবু রেজা নেজাম উদ্দীন নদভী। আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত না হয়েও তিনি যেভাবে পরপর দুবার এমপি পদে মনোনয়ন পান এবং এমপি নির্বাচিত হন। সেই লবিংয়ে তিনি যদি ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান সেটাও অবাক করার কিছুই নেই।
এমপি নদভী নামকরা ইসলামী স্কলার ছাড়াও মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাবশালী ইসলামী দেশগুলোর সাথে নিবিড় যোগাযোগ রক্ষা করেন। এছাড়া হেফাজত ইসলামের শীর্ষ নেতৃত্বের সাথেও সাংসদ নদভীর ঘনিষ্ট যোগাযোগ রয়েছে৷ সব কিছু মিলিয়ে তার অনুসারীদের দাবি তিনি ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে এগিয়ে আছেন।
ইতোমধ্যে এমপি নদভীকে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়ার দাবি জানিয়ে ফেসবুকে পোস্টও করছেন তার অনুসারীরা। এরকম অনেকের মধ্যে একজন দক্ষিণ জেলা যুবলীগের সদস্য কুতুব উদ্দিন শাহ ইমন।
তিনি বলেন, ‘সাতকানিয়ার মত জামাত অধ্যুষিত এলাকায় পর পর দুবার এমপি হয়েছেন নদভী সাহেব। এছাড়া তিনি ইসলামী বিশ্বে ব্যাপক পরিচিত ও আন্তর্জাতিক ইসলামী স্কলার। তার মত মানুষকেই যদি ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয় তাহলে ইসলামী দেশগুলোর সাথে ব্যক্তিগত যোগাযোগকে কাজে লাগিয়ে দেশের জন্য কাজ করতে পারবেন আমাদের এমপি। তাই দক্ষিণ চট্টগ্রামের মানুষ তাকে ধর্ম মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই।’
সুত্রঃ সিভয়েস.কম
দেশ বাংলা ডট নেট ডেস্ক 



















