রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১

লোহাগাড়ায় ঝুঁকি নিয়ে সেবা দিচ্ছেন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকরা

প্রকাশিত : ১:৩৭ অপরাহ্ন রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১

 

রায়হান সিকদার,লোহাগাড়া প্রতিনিধিঃ

প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস পুরো বিশ্বকে কাবু করেছে। বাদ যায়নি বাংলাদেশও। দিন যাচ্ছে আর দেশে আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়ছে। মারাও যাচ্ছে অনেকে। এ দুর্যোগময় মুহুর্তে সেবাদান প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখতে হচ্ছে চিকিৎসকদের। পরিবার পরিজনদের ছেড়ে এ দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখছেন তারা। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বহু চিকিৎসক সেবা দিয়ে যাচ্ছেন সাধারণ মানুষকে।
লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অনেক ঝুঁকি নিয়ে চিকিৎসকরা রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন যা সত্যিই প্রশংসনীয়।

এ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ও নার্সরা দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। জাতির এ সংকটময় মূহুর্তে মাঠ পর্যায়ে থেকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাধারণ মানুষের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন চিকিৎসকরা।

করোনা পরিস্থিতি জ্বর, সর্দি ও কাশি রোগীদের জন্য নেওয়া হয়েছে আলাদা ব্যবস্থা।
সাধারণত জ্বর, সর্দি, কাশিতে রোগীদের জন্য স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ফ্লু কর্ণার স্হাপন করা হয়েছে। ফ্লু কর্ণারে প্রতিদিন রোগীদের ভীড় জমতে দেখা গেছে। তাদেরকে ২৪ঘন্টায় চিকিৎসকরা চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়,হাসপাতালে রোস্টার অনুযায়ী ১৯জন চিকিৎসক রয়েছেন। যারা এ মূহুর্তে জরুরি সেবায় নিয়োজিত আছেন। করোনা পরিস্থিতে উপজেলার ৯ ইউনিয়নে আলাদা মেডিক্যাল টীম গঠনের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। যেখানেই করোনা উপসর্গের রোগী পাওয়া যাচ্ছে তাৎক্ষণিক সেখানে ছুটে যাচ্ছেন। নমুনা সংগ্রহ করছেন। দিচ্ছেন পর্যাপ্ত পরামর্শ। এছাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২০ শয্যবিশিষ্ঠ আইসোলেশন ইউনিট প্রস্তুত করা হয়েছে। গঠন করা হয়েছে পৃথক মেডিক্যাল টীম। পুরো উপজেলায় বিদেশ ফেরত লোকদের হোম কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করণে শুরু থেকেই তৎপর উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। হোম কোয়ারেন্টিনে থাকা ব্যক্তিদের সার্বক্ষণিক খোঁজখবর রেখে পর্যাপ্ত চিকিৎসা সেবা ও পরামর্শ প্রদান করে যাচ্ছেন। যা সাধারণ লোকজনের কাছে বেশ প্রশংসিত হয়েছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য প.প কর্মকর্তা ডাঃ মোহাম্মদ হানিফ বলেছেন, করোনা ভাইরাস পরিস্থিতির শুরু থেকেই নিরলসভাবে কাজ করছে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। বিদেশ ফেরত লোকদের হোম কোয়ারেন্টিন নিশ্চিতকরণসহ বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হচ্ছে। করোনা উপসর্গ পাওয়া রোগীদের বাড়ি গিয়ে তাৎক্ষণিক মেডিক্যাল টীম গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করছে।চিকিৎসকরা পর্যাপ্ত পরামর্শও। ২০শর্যাবিশিষ্ঠ আইসোলেশন ইউনিট প্রস্তুত রাখা হয়েছে। জ্বর, সর্দি, কাশি রোগিদের পৃথকভাবে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।সাধারণরত সর্দি, জ্বর, কাশি ও শ্বাসকষ্ট রোগীদের জন্য ফ্লু কর্ণার স্হাপন করেছি। চিকিৎসা সেবায় আমরা উপজেলার সকল মানুষকে স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতা তৎপর রয়েছি বলেও তিনি জানান।

আরো পড়ুন