
ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় ইরানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। এ হামলায় দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমেদিনেজাদ নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ইসরাইলি গণমাধ্যম।
রোববার ইরানের অভ্যন্তরে চালানো বিমান হামলায় আহমেদিনেজাদ তার নিজ বাসভবনে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে নিহত হন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ইসরাইলি সংবাদমাধ্যমগুলো এই ঘটনাকে ইরানের শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তিদের লক্ষ্য করে পরিচালিত চলমান হামলার অংশ হিসেবে বর্ণনা করেছে।
এর আগে একই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন বলেও দাবি করা হয়, যা দেশটির জন্য বড় ধরনের রাজনৈতিক ধাক্কা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তবে এসব তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
রাজনৈতিক জীবন ও বিতর্ক
মাহমুদ আহমেদিনেজাদ ২০০৫ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ইরানের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার কট্টরপন্থী বক্তব্য এবং পশ্চিমাদের প্রতি আপসহীন অবস্থানের কারণে তিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচিত ছিলেন।
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বৈশ্বিক উত্তেজনা, পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা এবং ২০০৯ সালের বিতর্কিত নির্বাচন পরবর্তী গণবিক্ষোভ তার শাসনামলের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলোর মধ্যে অন্যতম।
তথ্যসূত্র:
তুর্কি টুডে ও ইসরাইলি গণমাধ্যম।