গাজীপুরে নির্মমভাবে খুন হওয়া সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনের শোকাহত পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি) কমিশনার ড. নাজমুল করিম খান।
মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) বিকেল ৩টায় গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ হেডকোয়ার্টারের কনফারেন্স রুমে এক মানবিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে তিনি নিহত তুহিনের পরিবারের হাতে নগদ অর্থ সহায়তা তুলে দেন। এ সময় তুহিনের স্ত্রী, সন্তান ও স্বজনদের সান্ত্বনা দেন এবং সবসময় পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস প্রদান করেন।
জিএমপি কমিশনার বলেন, “সাংবাদিক তুহিনের হত্যাকাণ্ড আমাদের গভীরভাবে ব্যথিত করেছে। শুরু থেকেই আমরা তদন্তে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছি। অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করব। পাশাপাশি, এই কঠিন সময়ে তাঁর পরিবারের পাশে দাঁড়ানো আমাদের মানবিক দায়িত্ব।”
তিনি আরও জানান, ৭ দিনের মধ্যে মামলার চার্জশিট দাখিল করে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিতের চেষ্টা চলছে।
তুহিনের স্ত্রী মুক্তা বেগম এই সহানুভূতিশীল উদ্যোগের জন্য কমিশনারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “এ ধরনের সহায়তা ও সহমর্মিতা আমাদের মনোবল বৃদ্ধি করেছে।”
এ সময় উপস্থিত ছিলেন দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ-এর সম্পাদক খায়রুল আলম রফিক, চিফ রিপোর্টার রেজাউল করিম রেজা, গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি আদনান আখতার রাফি, মহানগর প্রতিনিধি শরিফ ওমর টুটুল এবং বিশেষ প্রতিনিধি আখতার হোসেন।
উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে গাজীপুর মহানগরের চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয় সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনকে। ইতোমধ্যে প্রধান আসামিসহ একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এর আগে ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার (এসপি) কাজী আখতার উল আলম নিহত তুহিনের দুই সন্তানের অভিভাবকত্ব গ্রহণের ঘোষণা দেন। জিএমপি কমিশনারের এই উদ্যোগ পরিবারটির প্রতি প্রশাসনের মানবিক অঙ্গীকারকে আরও সুদৃঢ় করল।