রায়হান সিকদারঃ
বাংলাদেশ পুলিশের দৃষ্টিভঙ্গি সম্পুর্ণ ভাবে পাল্টে গেছে। বাংলাদেশ পুলিশ জনগণের সেবক, জনগণের বন্ধু। তারা দেশের ক্রান্তিলগ্নে আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে যেমন কাজ করে যাচ্ছেন, ঠিক তেমনি বাংলাদেশ পুলিশ মানবতার সেবক ও মানুষের কল্যাণেও কাজ করে যাচ্ছেন।
মানুষের কল্যাণে ও আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে কাজ করায় প্রশংসিত হয়েছেন লোহাগাড়া থানার ওসি জাকের হোসাইন মাহমুদ।
জানা যায়, ওসি জাকের লোহাগাড়া থানায় যোগদান করার পর থেকে ইয়াবার বড় বড় চালান উদ্ধার, অনেক মাদক ও সন্ত্রাসীদের আটক করে আদালতে সৌপর্দ করেছেন। আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে যেমন তিনি অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন, মানবতার কল্যাণেও তার অবদান সত্যিই প্রশংসার দাবিদার।
সারাদেশ করোনা ভাইরাসের কারণে নিশ্চুপ। লোহাগাড়ায় চলছে লকডাউন।
করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে লোহাগাড়া থানা পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। করোনায় দুর্যোগ সংকটময় মুহুর্তে পুলিশ সব জায়গায় প্রশংসিত হচ্ছেন । ওসি জাকের হোসাইন মাহমুদ করোনায় দুর্যোগ সংকটময় মুহুর্তে উপজেলার ঘরবন্দি থাকা অসহায়, হত দরিদ্র ও কর্মহীন মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছেন।
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপারের পক্ষ থেকে উপজেলার খেটে -খাওয়া মানুষকে খাবার সামগ্রী বিতরণ করেছেন তিনি।
বিশেষ করে ওসি জাকের হোসাইন মাহমুদ মোবাইল ফোনে সহায়তা পৌঁছে দিতে একটি টিমও গঠন করেছেন।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকার অসহায় ও কর্মহীন মানুষের ঘরে ঘরে খাবার সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছেন।
সরকারী নাম্বারে এলাকার দরিদ্র পরিবারের ফোন পেলেই রাতে এবং দিনে তাদের বাড়ীতে গিয়ে খাবার পৌঁছে দিচ্ছেন তিনি। মানবতার ডাকে সাড়া দিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুত্বর আহত সাইফুলকে লোহাগাড়া ডায়াবেটিক জেনারেল হাসপাতালে দেখতে যান এবং তাকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন তিনি।
এ বিষয়ে ওসি জাকের হোসাইন মাহমুদ জানান, বাংলাদেশ পুলিশ জনগণের সেবক ও বন্ধু।করোনা প্রতিরোধে লোহাগাড়ায় আমাদের থানা পুলিশের সকল পুলিশ সদস্যবৃন্দরা অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। কোন ধরণের অন্যায়কারী,সন্ত্রাস ও মাদক বিক্রেতাদের ছাড় দিইনি। পুলিশের কাছে এলাকার জনগণ নির্ভয়ে এসে সেবা নিতে পারবে। থানায় যোগদান করার পর থেকেই বিভিন্ন সভায় বলেছি, কোন সুপারশ কিংবা দালাল ছাড়া নির্ভয়ে তার সাথে যোগাযোগ করতে, পুলিশি সেবা গ্রহণ করতে। আমরা চাই পুলিশের সেবা নিতে থানায় আসতে হবেনা, আমরা সাধারণ মানুষের ঘরে গিয়ে পুলিশি সেবা পৌঁছে দিবো ইনশাল্লাহ।
তিনি আরো বলেন, চট্টগ্রাম জেলার মাননীয় পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কর্মহীন ও অসহায় মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে খাবার সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছি। বিশেষ করে গভীর রাতে হত দরিদ্রদের ফোন পেয়ে কর্মহীন মানুষের ঘরে ঘরে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হয়।