রায়হান সিকদার,দেশবাংলাঃ
বনের জায়গা থেকে বালু উত্তোলন ও পাহাড় কাটা যাবেনা। যদি কেউ বনের জায়গা থেকে পাহাড়, বালু উত্তোলন করলে পাহাড় খেকোদের বিরুদ্ধে কঠোরভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
২৪এপ্রিল (বৃহস্প্রতিবার) দুপুরে চুনতি অভয়ারন্য এলাকা,বন বিভাগের বিভিন্ন এলাকা ও চুনতি লম্বাশিয়ায় পাহাড় কেটে বালু উত্তোলনের স্থান পরিদর্শন কালে তিনি এসব কথা বলেন।
বন ও পরিবেশ উপদেষ্ঠা বলেন, কোন ভাবেই বনে হাতি মারা যাবেনা। অভয়ারণ্য দীর্ঘদিন দখলের স্বীকার হয়েছে। দীর্ঘদিন যাবত মানুষ এখানে ঢুকে পড়েছে। যারা বালু তুলে তারা ঘুর্নীঝড়ে আসেনাই,যারা পাহাড় কাটে তারা ঘূর্নিঝড়ে আসেনাই। বন জায়গা দখলের বিষয়ে জটিল হয়ে গেছে,একটু সময় লাগবে সমাধান হতে।

চুনতি সীমানা নির্ধারন করতে হবে। বালু উত্তোলন যাতে করতে না পারে সেজন্য সুরক্ষা ব্যবস্থা করা,যাতে বালু উত্তোলন করতে না পারে,ঢুকতে না পারে। অবৈধ দখল নিয়ে কর্ম পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নামতে হবে। বনবিভাগের জায়গা দখল উচ্ছেদ যেমন করব আত্মসামাজিক বাস্তবতা বিবেচনায় অন্য কিছু যদি করতে হয় সেটিও করব। বন ও পরিবেশ উপদেষ্ঠা আরও বলেন, লম্বাশিয়া থেকে পাহাড় কাটা,বালু কোন ভাবেই বালু উত্তোলন করা যাবেনা । বনের জায়গা থেকে বালু উত্তোলন করা যাবেনা। হাতি মানুষের দ্বন্দ বন্ধ করতে হবে। বন আমাদেরকে বাঁচাতে হবে। দেশটা আমাদের।বালু উত্তোলনকারীরা যাতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করতে না পারে সেদিকে আপনাদের কে সজাগ থাকতে হবে। বন খেকোদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলেন তিনি।
এ এসময় বন্যপ্রানী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষক অঞ্চল ঢাকা এর বন সংরক্ষক সানাহ উল্লাহ পাটোয়ারী, চট্টগ্রাম অঞ্চলের সিএফ মোল্যা রেজাউল করিম, কক্সবাজারের উত্তরের ডিইপো মারুফ হোসেন, চট্টগ্রাম বিভাগীয় বন্য প্রানী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ কর্মকর্তা আবু নাছের মোহাম্মদ ইয়াছিন নেওয়াজ, উপকূলীয় বনবিভাগ চট্টগ্রামের ডিইপো বেলায়েত হোসেন,লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) মুহাম্মদ ইনামু্ল হাছান, চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) মুহাম্মদ আতিকুল ইসলাম, সাতকানিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তফিকুল ইসলাম, চট্টগ্রামের বন্যপ্রানী জীববৈচিত্র্যে কর্মকর্তা নূর জাহান, দ্বিপান্বিতা ভর্টাচার্য্য,চট্টগ্রাম দক্ষিণের রেঞ্জ কর্মকর্তা আবির হাসান,লোহাগাড়া প্রেস ক্লাব সভাপতি এম সাইফুল্লাহ চৌধুরী, লোহাগাড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক(তদন্ত) রবিউল ইসলাম খাঁন,চুনতি বন্যপ্রাণী রেঞ্জ কর্মকর্তা গাজি বাহার উদ্দিন,চুনতি রেঞ্জ কর্মকর্তা আবির হোসেন, জলদি বন্যপ্রানী রেঞ্জ অফিসার আনিচ্ছুজ্জামান শেখসহ অন্যন্যা কর্মকর্তারা,বনবিভাগের স্টাফরা উপস্থিত ছিলেন।