বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

মক্কায় বজ্রপাতে নিহত হওয়ার দেড় মাস পর সেলিমের লাশ দাফন

প্রকাশিত : ১১:২৪ অপরাহ্ন বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

শহীদুল ইসলাম বাবর,দেশবাংলা.নেট
দীর্ঘ দেড় মাস আগে সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কায় নিহত দক্ষিণ চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার বাসিন্দা মোহাম্মদ সেলিমের (২৮) লাশ নামাজে জানাযা শেষে দাফন করা হয়েছে। গতকাল (১৮ নভেম্বর) বাংলাদেশ সময় রাত ৮টা, আর সৌদি সময় বিকাল ৫টার সময় মক্কায় হারামে সোহাদা নামক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। জানাযার নামাজে অংশ নেওয়া সাতকানিয়ার কালিয়াইশের বাসিন্দা মুহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গত ২ অক্টোবর বিকালে ক্ষেতে (বিল) কাজ করার সময় বজ্রপাতে সেলিম উদ্দিন মারা যায়। মারা যাওয়ার দীর্ঘ ৪৬ দিন পর দাফন হলো তার। ওমরা ভিসায় সৌদি আরবে গিয়ে অবৈধ ভাবে বসবাস করা সেলিমের ভিসা না থাকায় এত দিন লাশ দাফন করা যায়নি। নিহত হওয়ার পর থেকেই মক্কার আল নুর হাসপাতালের হিমঘরে তার লাশ রক্ষিত ছিল। সেলিম উদ্দিন কালিয়াইশ ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের আলী মুহুরী বাড়ির বাসিন্দা আহমদ কবিরের পুত্র।
সূত্রে প্রকাশ, ভাগ্য ফেরানোর জন্য ভাই নাছির উদ্দিনকে অনুসরণ করে আনুমানিক চার বছর আগে সৌদি আরবে পাড়ি জমান সেলিম উদ্দিন। ওমরা ভিসায় গিয়ে অবৈধ ভাবে বিলে কাজ করেই সময় পার করতেন সে। ঘটনার দিন যথারীতি প্রতিদিনের ন্যায় ঐ সময়েও বিলে সবজি ক্ষেতের কাজ করাকালে হঠাৎ বজ্রসহ তুফান শুরু হয়। বাসায় ফেরার আগে মাঠেই বজ্রপাতে করুন মৃত্যু হয় সেলিম উদ্দিনের। পরে সৌদি আরবে অবস্থান করা তার ভাই নাছির উদ্দিন বিভিন্ন জনের সাথে যোগাযোগ করে সেলিমের লাশ স্থানীয় হাসপাতাল আল নুরের হিমঘরে রাখার ব্যবস্থা করেন। সর্বশেষ রাষ্ট্রীয় অনুমতি সাপেক্ষ সোমবার আসরের নামাজের পর মক্কার হারাম শরীফে নামাজে জানাযার পর হারাম শরীফের নিয়ন্ত্রনাধীন হারামে সোহাদা নামক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয় বলে জানান প্রবাসী মুহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন। তিনি বলেন, জানাযার নামাজে হাজারো সাতকানিয়া-লোহাগাড়াবাসীসহ লাখো ধর্মপ্রান মুসল্লি অংশ নেন। সেলিম ছিল ৩ ভাই এক বোনের মধ্যে সবার বড়। চট্টগ্রামের চরপাথর ঘাটায় গ্যাসলাইন বিস্ফোরণ হয়ে নিহত হয় একই গ্রামের বাসিন্দা আইনজীবি আতাউর রহমানের স্ত্রী জুলেখা খানম ফারজানা ও তার শিশু পুত্র আতিকুর রহমান শুভ। পরের দিনই একই গ্রামের প্রবাসী সেলিমের লাশ দাফনের ঘটনায় শোক যেন ঝেকেঁ বসেছে বাসিন্দাদের মাঝে

আরো পড়ুন