রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

চাঁদা না দিলেই ইউটিউবে ভিডিও ছাড়ে টিনুর ৮ অনুসারী

প্রকাশিত : ১২:২৪ পূর্বাহ্ন রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

 আদালতে ব্যবসায়ীর মামলা

চট্টগ্রাম নগরের চকবাজারের সন্ত্রাসী ও কথিত যুবলীগ নেতা নুর মোস্তফা টিনুর আট অনুসারীর বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম আদালতে মামলা দায়ের করেছেন এক ব্যবসায়ী। ব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেন ফরহাদ চকবাজার মকবুল হোসেন লেইনের মরহুম ডা. মোশাররফ হোসেনের ছেলে। সোমবার (২৮ অক্টোবর) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ভয়ভীতি প্রদর্শন, মানহানিসহ একাধিক অভিযোগে মামলাটি দায়ের করা হয়। আদালত নগরীর পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে মামলার তদন্তের আদেশ দিয়েছেন।

মামলায় টিনুর অনুসারী অনিন্দ্য বৈদ্য সানি, রবিউল ইসলাম রাজু, অভিক দাস গুপ্ত, প্রদীপ আচার্য্য, শাহাদাত হোসেন প্রকাশ ল্যাংড়া রিফাত, নাসির উদ্দিন প্রকাশ লম্বু নাসির, আজগর আলী মানিক ও দীপু তালুকদারকে আসামি করা হয়।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, তথাকথিত একটি ইউটিউব চ্যানেলে মামলার বাদি দেলোয়ার হোসেন ফরহাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্যে সাজানো ‘চকবাজারে ক্যাসিনো ও মাদক ব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেন ফরহাদ আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ’ শিরোনামে একটি ভিডিও প্রচার করা হয়। মামলার আসামি দিপু তালুকদার ওই ভিডিও তৈরি করেন এবং জনৈক আজগর আলী মানিক তথাকথিত ওই ইউটিউব চ্যানেলের চেয়ারম্যান, সম্পাদক ও প্রকাশক। বিভিন্ন আপত্তিকর শব্দ ব্যবহার করে অন্য আসামিরা এটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করেন।

জানা গেছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে অভিযোগ আছে অনিন্দ্য বৈদ্য সানি, রবিউল ইসলাম রাজু, অভিক দাস গুপ্ত, প্রদীপ আচার্য্য, শাহাদাত হোসেন প্রকাশ ল্যাংড়া রিফাত ও নাসির উদ্দিন প্রকাশ লম্বু নাসির চকবাজার, পাঁচলাইশ ও বহদ্দারহাট এলাকার উঠতি মাস্তান। তারা কথিত যুবলীগ নেতা নুর মোস্তফা টিনুর হয়ে চাঁদাবাজি, ইভটিজিং ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপ পরিচালনা করে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানের মুখে নুর মোস্তফা টিনু সেপ্টেম্বরে র‌্যাবের হাতে একটি বিদেশী পিস্তল, একটি শটগান ও ৬৭ রাউন্ড গুলিসহ আটক হন। পরদিন অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করে টিনুকে নগরীর পাঁচলাইশ থানায় হস্তান্তর করে র‌্যাব। পুলিশ সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করলে আদালত শুনানি শেষে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পাঁচদিনের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে টিনু এখন কারাগারে আছেন। কিন্তু থেকে থাকেনি তার নামে নিয়মিত চাঁদাবাজি। তার এই অনুসারীরা নিয়মিত চাঁদাবাজি করার পাশাপাশি আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক প্রতিবেদনে উঠেছে।সূত্র- চট্টগ্রাম প্রতিদিন।

 

আরো পড়ুন