বৃহস্পতিবার, ০৭ জুলাই ২০২২

বসতঘর ও কবরস্থানের জায়গা দখল চেষ্টার অভিযোগে গৃহকত্রীর সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত : ১১:৪৮ অপরাহ্ন বৃহস্পতিবার, ০৭ জুলাই ২০২২

 

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 

লোহাগাড়ায় বসতঘর ও পারিবারিক কবরস্থানের জাগয়া জোরপূর্বক দখল প্রচেষ্টার অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগী এক পরিবারের কর্ত্রী বৃদ্ধা নূরজাহান বেগম।

বৃহস্পতিবার বেলা ১২টায় সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এ অভিযোগ তুলে ধরা হয়। লোহাগাড়া উপজেলার বড়হাতিয়া ৫নং ওয়ার্ডস্থ সীমানার জনপদ আমতলী গ্রামে পরিবারের পক্ষে নিজ বসত ঘরেই এ সম্মান সংম্মেলনের আয়োজন করে বৃদ্ধা নূর জাহান বেগম।সংবাদ সম্মলনে অভিযোগ আনা হয়েছে মাহমুদুল হক বাবুল, সাহাব উদ্দীন, মো. সাঈদ ও মো. গিয়াস উদ্দীনের বিরুদ্ধে।

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, অভিযুক্তরা ভুক্তভোগী পরিবারের প্রতিবেশী। তারা দীর্ঘদিন হতে ভুক্তভোগী নূরজাহান বেগম পরিবারের বসতঘর ও পারিবারিক কবরস্থানের জায়গা দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে। এ ব্যাপারে প্রতিকার পেতে বৃদ্ধার পরিবারের পক্ষ থেকে সাতকানিয়া চৌকির লোহাগাড়া সহকারী জজ আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে গত ২০২০ সনে। উক্ত জায়গার ব্যাপারে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার জন্য আদালত কৃর্তক আদেশ দেয়া হয়েছে। কিন্তু, অভিযুক্তরা সে আদেশ অমান্য করে বসতঘর ও কবরস্থানের জায়গা দখলের পায়তারা চালিয়ে যাচ্ছে। ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দেয়া হয়েছে। ফলে, ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা প্রাণের ভয়ে ঘরে তালা দিয়ে অন্যত্রে ভাড়া বাসায় দিনযাপন করছে। অভিযুক্তরা সেই ঘরের গেটে তালায় শীসা ঢুকিয়ে দেয় গত ১৬ মে সকাল বেলায়। এ ব্যাপারে গত ১৭ মে লোহাগাড়া থানায় সাধারণ ডায়েরী (নং-৬৮৪) করা হয়েছে। সাধারণ ডায়েরীর প্রেক্ষিতে ও সংবাদ সম্মেলনের সংবাদ পেয়ে অবশেষে পুলিশ কর্তৃক ঘরের গেটের সেই তালা খুলে দেয়া হয়েছে বলে জানান পরিবার কর্ত্রী।
সংবাদ সম্মলনে ভুক্তভোগী পরিবারের বসতঘর ও পারিবারিক কবরস্থানের জায়গা রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে। বৃদ্ধা নূরজাহান কর্তৃক বক্তব্য পাঠের সময় উপস্থিত ছিলেন তার পুত্রবধূসহ অন্যান্যরা।

অন্যদিকে,অভিযুক্ত মাহমুদুল হক বাবুল বলেছেন, মসজিদটি দীর্ঘ ৫০/৬০ বছরের পুরানো মসজিদ। এ জায়গাটি নিয়ে সুদীর্ঘ কাল ধরে কোন ঘটনা ঘটেনি। বিএস ১৮৮দাগের আন্দর মসজিদের জায়গা ১৮শতক বা ৯গন্ডা। তৎসংগ্ন বিএস ১৮৯ দাগের আন্দর জমির পরিমাণ ১২শতক বা ৬গন্ডা । দুটি দাগের জায়গা পরিমাণ করে জানতে পারা যায় মসজিদে ১৮৮দাগের জায়গা আছে ১৬শতক বা ৮গন্ডা। যাহা পুর্ব থেকে মসজিদের দখলে আছে।এটা আমার কোন ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়।  পাশাপাশি ১৮৯দাগের জমির পরিমাণ ১৪শতক বা ৭গন্ডা। বিএস ১৮৯দাগের ২শতক জায়গা বেশি আছে। একই খতিয়ান ভুক্ত জায়গা হওয়ার কারণে বিএস ১৮৮দাগের যে ২ শতক জায়গা কম আছে তাহা আমরা বিএস ১৮৯ দাগ হতে পুষিয়ে নিতে গেলে আমাদের সাথে প্রতিপক্ষ রিজিয়া গং এর সাথে কথা কাটাকাটি সৃষ্ঠি হয়। ৬ ঘন্টা এক গড়া জায়গা মসজিদে ক্রয় করেছে আহমদ হোসেনের ভাই কবির আহমদ গ্রুপ থেকে।
আমি মসজিদের কল্যাণে কাজ করেছি। তারা যেটা আমাকে নিয়ে বক্তব্যে দিয়েছেন তার কোন ভিত্তি নেই। এটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

আরো পড়ুন