সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২২

সাধারণ মানুষের কথা শুনে সঠিক বিচার কার্য সম্পাদন করছেন লোহাগাড়ার ইউএনও জিতু

প্রকাশিত : ৭:৫০ পূর্বাহ্ন সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২২

 

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ 

 

মাসুম বাচ্চার মতো কথা শুনেন এবং সাধারণ মানুষের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনে বিচার কার্য সম্পাদন করছেন লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ আসহান হাবিব জিতু।

আজ বুধবার ৬ এপ্রিল সকাল সাড়ে ১১টায় ইউএনও কার্যালয়ে গেলে, এলাকার কিছু সাধারণ মানুষকে সেবা দেয়ার প্রাক্কালে এ দৃশ্য দেখা যায়। তাদের কথা মনোযোগ সহকারে বিচার কার্য সম্পাদনে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

একজন ‘মানবিক ইউএনও’ হিসেবে তিনি অনেক পরিচিতি লাভ করেছেন।গেল কিছুদিন পুর্বে অন্যত্র একটি জায়গায় তার বদলীর আদেশ পত্র এসেছে। যোগদানের কিছু দিনের মধ্যেই নিজ গুণে সর্বস্তরের মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছিলেন তিনি। উপজেলাবাসী একজন সজ্জন, কর্মঠ, জনবান্ধব ও দক্ষ অফিসারকে হারাচ্ছেন।

গত ২০২০ সালের ৮ অক্টোবরে উপজেলার মানুষকে সেবা করার সুযোগ পেয়েছেন তিনি। এ সময়ে তিনি সততা, নিষ্ঠা ও দক্ষতার সাথে জনগণের সেবা দিয়েছেন। করোনা মহামারীর মধ্যেও উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রেখেছেন। করোনার প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় তিনি অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর ওপর ছিল তার সজাগ দৃষ্টি। তার প্রশাসনিক এলাকায় জনস্বার্থবিরোধী কোন ঘটনা তার নজরে এলে কালবিলম্ব না করে তাৎক্ষণিক সরেজমিনে গিয়ে জনগণকে সাথে নিয়ে তা দৃঢ়তার সাথে মোকাবেলা করেছেন। মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের যে মূলধর্ম কাজের মধ্যদিয়ে জনগণের আস্থা অর্জন করতে তিনি সক্ষম হয়েছেন।

লোহাগাড়া প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ বলেন, আমি সরকারি প্রোগ্রামগুলো কভারেজ করতে গিয়ে লক্ষ্য করেছি, তা হলো, উনি খুব স্থির ও ধৈর্যশীল মানুষ। মানুষের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনতেন। বিরক্ত, অবহেলা বা ব্যস্ততা দেখাতেন না কাউকে।

লোহাগাড়া প্রেসক্লাব সভাপতি মো. নুরুল ইসলাম বলেন, তিনি জনবান্ধব মানুষ ছিলেন। অল্প সময়ের মধ্যে উপজেলার সকল শ্রেণি পেশার মানুষের মন জয় করেছিলেন। নিম্নশ্রেণি থেকে উচ্চপদস্থ লোক খুব সহজে তার কাছে যেত পারত। কোন ঘটনাঘটলে তাৎক্ষণিকভাবে ছুটে যেতেন।

লোহাগাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সালাহ উদ্দীন হিরু বলেন, টাকার জন্য নয়, তিনি মানুষকে সেবা দেওয়ার জন্য দৌঁড়াতেন। তার কর্মের কথা উপজেলাবাসী মনে রাখবে। প্রত্যেকটি মানুষের কথা তিনি মনোযোগ দিয়ে শুনতেন ও সমস্যা সমাধানে আন্তরিকভাবে চেষ্টা করতেন। সারাক্ষণ উপজেলার উন্নয়ন নিয়ে ভাবতেন। তিনি সৎ, উদ্যামী ও কর্মঠ ছিলেন।

আরো পড়ুন