সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২২

চুনতিতে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা, দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি মামলা,আটক ৯

প্রকাশিত : ৭:১৯ পূর্বাহ্ন সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২২

 

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ 

 

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি ইউনিয়নের পানত্রিশায় নির্বাচনের পর বিজয়ী জানে আলম ও পরাজিত মেম্বার প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম সমর্থকদের সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা হয়েছে।

মামলা দুটিতে দুই প্রার্থীসহ মোট ৪৬ জনের নাম উল্লেখসহ ২০/৩০ জন অজ্ঞাতনামাকে আসামি করা হয়। মামালা দুটিতে বাদী হলেন বিজয়ী ও পরাজিত মেম্বার প্রার্থীর দুই স্ত্রী।

মঙ্গলবার ( ২৮ ডিসেম্বর ) সকালে লোহাগাড়া থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে বলে থানার অফিসার ইনচার্জ ( ওসি) জাকের হোসাইন মাহমুদ জানান।

থানা সূত্র জানায়, পরাজিত মেম্বার প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী তানজিনা সুলতানা জুলির মামলায় আসামি করা হয়েছে ৩২ জনকে। এই মামলায় ১০/১২ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়। এতে প্রধান আসামী করা হয়েছে ওই এলাকার মৃত জাগির মিয়ার পুত্র ও চুনতির সাবেক চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীকে।

অপরদিকে, বর্তমান মেম্বার জানে আলম জানুর স্ত্রী রুজিনা আকতার বাদী হয়ে যে মামলাটি করেছেন, সেটিতে ১৪ জনের নাম উল্লেখসহ আরও ১০-১২ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি দেখানো হয়েছে।

মামলার প্রধান আসামী করা হয়েছে সৈয়দ আমহদের পুত্র মো. আইয়ুকে । এঘটনায় উভয় পক্ষের ৯জনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

তারা হলেন যথাক্রমে, নব-নির্বাচিত ইউপি সদস্য জানে আলম(৪৮), নাজিম উদ্দিন (৪০), মুজিবুর রহমান(৪৫), মো. বশির উদ্দিন (৩০), মো. আরিফ(৩২), মো. দিদার (৩৫)।

অপরদিকে পরাজিত প্রার্থী মো. জাহাঙ্গীর আলম (৩৪), মো. জসিম উদ্দিন (৩৮), মো. ইয়াছিন আরফাত (৩০)।

লোহাগাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ জাকের হোসাইন মাহমুদ জানান, গত সোমবার দুপুরে চুনতি ইউনিয়নের পানত্রিশা এলাকায় বিজয়ী জানে আলম ও পরাজিত মেম্বার প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম সমর্থকদের সংঘর্ষ হয়। এতে ১৭ জন আহত হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এসময় ৯ জনকে আটক করা হয়৷ পরে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় পুলিশ টহলে রয়েছে।

আরো পড়ুন