বাংলাদেশ, , বুধবার, ২৪ জুলাই ২০১৯

এবার কৃত্রিম চাঁদ বানাচ্ছে চীন!

প্রকাশ: ২০১৮-১০-২০ ১৩:৩৮:২৯ || আপডেট: ২০১৮-১০-২০ ১৩:৩৮:২৯

দেশবাংলা ডেস্ক,দেশবাংলা ডটনেট

পৃথিবীর হিসেবে ২৪ ঘন্টাকে দিন-রাত দিয়ে ভাগ করা হয়েছে। এ গ্রহের সমস্ত কাজ-কর্মও পরিচালিত হয় দিন-রাতের হিসেবকে মাথায় রেখে। তবে এবার দিন-রাতের পার্থক্য মুছে ফেলতে কৃত্রিম চাঁদ বানাতে যাচ্ছে চীন।

মূলত বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ওপর থেকে চাপ কমাতে ও রাতের অন্ধকার কমিয়ে আনতে এমন উচ্চাভিলাষী প্রকল্পে হাত দিয়েছে চীন। দেশটির সিচুয়ান প্রদেশের চেংডু শহরে অবস্থিত তিয়ানফু নিউ ডিস্ট্রিক্ট সিস্টেম সায়েন্স রিসার্চ ইন্সটিটিউটের প্রধান ইউ চুনফেং সংবাদসংস্থা এবিসি-কে জানান, ২০২০ সালের মধ্যে তিনটি কৃত্রিম চাঁদ তৈরি করবে চীন।

২০২২ সালে কৃত্রিম চাঁদ তিনটি মহাকাশে পাঠানো হবে। ওই চাঁদগুলো আসলে বড় উপগ্রহ, যাতে থাকবে বড় বড় আয়না, যা সূর্যের আলো পৃথিবীতে আরও বেশি ভালো করে প্রতিফলিত করবে।

আয়না থেকে প্রতিফলিত সূর্যালোক প্রায় ৩৬০০–৬৪০০ বর্গফুট এলাকা আলোকিত করবে এবং তার ঔজ্জ্বল্য হবে চাঁদের থেকে প্রায় আটগুণ বেশি। চাঁদ পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে ৩৮০,০০০ কিলোমিটার দূর থেকে। কৃত্রিম চাঁদগুলি পৃথিবী থেকে ৫০০ কিলোমিটার দূরের কক্ষপথে রাখা হবে বলে ঠিক করেছেন চীনা মহাকাশ বিজ্ঞানীরা।

তবে, কৃত্রিম চাঁদগুলোকে কোন কক্ষপথে, কীভাবে রাখা হবে তা এখনো ঠিক হয়নি। চুনফেং জানান, কৃত্রিম চাঁদগুলো স্থাপিত হলে প্রতিবছর ২৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে।

এছাড়াও বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় যে সমস্ত এলাকা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, সেসব এলাকায় কৃত্রিম আলোর ব্যবস্থা করা যাবে। রাতে বিভিন্ন ধরণের জরুরি উদ্ধারকাজেও বড় ধরণের ভূমিকা রাখবে এই কৃত্রিম চাঁদ।

তবে, বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। কৃত্রিম চাঁদের ফলে দিন-রাতের তারতম্যে পার্থক্য হয়ে পৃথিবীর জীবনচক্রে বিঘ্ন ঘটতে পারে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।

এ ধরণের বিতর্ককে উড়িয়ে দিয়ে চুনফেং বলেন, প্রতিফলিত আলো যেহেতু মানুষের তৈরি তাই তা নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। পৃথিবী থেকে ওই চাঁদগুলোকে উজ্জ্বল তারার মতোই লাগবে।

Comments

Add Your Comment

ক্যালেন্ডার এবং আর্কাইভ

MonTueWedThuFriSatSun
22232425262728
293031    
       
     12
3456789
       
  12345
       
1234567
891011121314
22232425262728
2930     
       
    123
       
    123
45678910
25262728   
       
 123456
78910111213
14151617181920
28293031   
       
     12
24252627282930
31      
   1234
567891011
2627282930  
       
     12
       
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031