বাংলাদেশ, , বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২০

একদিকে বিপন্ন মানবতার আর্তনাদ, অন্যদিকে তথ্য সন্ত্রাস

প্রকাশ: ২০২০-০৪-১৭ ২৩:৩৭:০৮ || আপডেট: ২০২০-০৪-১৮ ০০:১৫:২২

বাংলাদেশে অনেক কিছুর অভাব থাকতে পারে কিন্তু নিন্দুকের অভাব নেই। নিন্দা করাই এদের কাজ। নিন্দা ধ্যান, নিন্দা জ্ঞান, নিন্দাই তপঃ। ওদের জন্মই হয়েছে যেন অন্যের ভুল ধরা, গালমন্দ আর নিন্দার করার জন্য। মাঝেমধ্যে বিস্ময়াপন্ন হই, যখন দেখি একদিকে বিপন্ন মানবতার আর্তনাদ, অন্যদিকে বিপন্ন আর্ত-মানবতার সেবায় যারা নিয়োজিত তাদের পেছনে নেড়ি কুত্তার মতো একদল নির্লজ্জের ঘেউঘেউ। সেইসব মানুষরূপী অমানুষরা সারাক্ষণ অন্যের দোষ ত্রুটি খুঁজতে ব্যস্ত থাকে। বিশেষত: তৎপর থাকে ভালো কাজ গুলোর ত্রুটি অনুসন্ধানে ।
উপরোক্ত কথা গুলোর অবতারনা কারণ হলো, করোনা ভাইরাসের করাল গ্রাসে নিপতিত সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার বিপন্ন মানবতার কাতারে না দাঁড়িয়ে একশ্রেণীর দালাল ও ভূঁইফোড় অখ্যাত প্রিন্ট ও অনলাইন পত্রিকার সাংবাদিক নামধারী চাঁদাবাজ ও দালাল কর্তৃক সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার মাটি ও মানুষের অকৃত্রিম বন্ধু জননেতা প্রফেসর ড.আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী এমপি মহোদয়ের পেছনে লাগার এবং বিভ্রান্তিমূলক সংবাদ পরিবেশন দেখে। অতীতেও বিভিন্ন দুর্যোগকালীন ইতর প্রকৃতির মানু্ষরূপী এইসব অমানুষদের একই চরিত্র আমরা দেখেছি।

বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাস আজ প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশে থাবা ফেলেছে। দেশের কয়েকটি বেশি ঝুঁকিপূর্ণ উপজেলার মধ্যে সাতকানিয়া-লোহাগাড়া অন্যতম। বৃহত্তর চট্টগ্রামের মধ্যে কেবল এই দু’ উপজেলাকে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। এমতাবস্থায় সর্বস্তরের জনসাধারণের জীবন জীবিকা মারাত্মক হুমকির সম্মুখীন। বিশেষ করে দরিদ্র-অসহায় ও খেটে খাওয়া দিন মজুররা। এমন দুর্যোগকালীন সময়ে আর্ত পীড়িতদের ঘরে ঘরে ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি সাতকানিয়া লোহাগাড়াবাসীকে করোনার থাবা থেকে সুরক্ষা দিতে উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তাদের প্রায় প্রতিদিনই প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছেন মাননীয় সংসদ সদস্য প্রফেসর ড.আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী।

করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রনালয় কর্তৃক সাতকানিয়া-লোহাগাড়া উপজেলার দুঃস্থ-দরিদ্র, নিম্ন আয়ের মানুষ, কর্মহীন দিনমজুর, রিক্সা চালক, ভ্যান চালকসহ অসহায় মানুষদের জন্য বরাদ্দকৃত জি.আর চাল, জি.আর ক্যাশ, শিশু খাদ্য বাবদ নগদ অর্থ পৌরসভাসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের ওয়ার্ডভিত্তিক তালিকা প্রণয়ন করে পৌঁছিয়ে দেওয়া হচ্ছে প্রতিদিন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের তত্বাবধানে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও মেম্বারগণ প্রান্তিক খেটে খাওয়া অসহায় মানুষদের ঘরে ঘরে গিয়ে ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছিয়ে দিচ্ছেন। বরাদ্দকৃত ত্রাণ সামগ্রী সঠিক ভাবে বিভাজন ও বিতরণ হচ্ছে কিনা তা নিজস্ব প্রতিনিধির মাধ্যমে তদারকি করছেন প্রফেসর ড.আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী এমপি মহোদয়। সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার বিভিন্ন গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে আল্লামা ফজলুল্লাহ ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে উপকারভোগী অন্ধ, প্রতিবন্ধীসহ বেশি অসহায় পরিবারদের জন্য মাননীয় এমপি ব্যক্তিগত তহবিল থেকে প্রতিদিন বিকাশের মাধ্যমে টাকা পাঠিয়ে দিচ্ছেন। এভাবে তিনি উপজেলা প্রশাসন, থানা প্রশাসন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান-মেম্বারসহ স্থানীয় আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠন সমূহের নেতৃবৃন্দের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে এই দুর্যোগ কাটিয়ে উঠার প্রাণান্তকর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। দুর্যোগকালীন জনগণনের সেবাদানকালে স্বাস্থ্যঝুঁকির কথা বিবেচনা করে মাননীয় সাংসদ ইতিমধ্যে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এর চিকিৎসক, নার্স ও পুলিশ সদস্যদের জন্য সার্জিক্যাল পিপিই, মাস্ক ও গ্লাভস বিতরণ করেছেন।
লোহাগাড়া উপজেলার ৯ ইউনিয়নের জন্য এ পর্যন্ত প্রাপ্ত জি.আর চালের পরিমাণ সাড়ে বিয়াল্লিশ মেট্রিক টন, জি.আর ক্যাশ দুই লক্ষ পঁয়ষট্টি হাজার টাকা এবং শিশু খাদ্য বাবদ চৌদ্দ হাজার টাকা। পৌরসভাসহ সাতকানিয়া উপজেলার ১১ ইউনিয়নের জন্য এ পর্যন্ত প্রাপ্ত জি.আর চালের পরিমাণ সাড়ে বত্রিশ মেট্রিক টন, জি.আর ক্যাশ এক লক্ষ ঊনচল্লিশ হাজার দুই শত টাকা এবং শিশু খাদ্য বাবদ দশ হাজার নয়শত টাকা।
উপরোক্ত বরাদ্দ ছাড়াও লোহাগাড়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের গরীব-অসহায় খেটে খাওয়া প্রান্তিক জনগণনের জন্য নির্ধারিত ১০ জন ডিলারের মাধ্যমে ছয় হাজার একশত দুইজন কার্ডধারীকে এবং ১২ জন ডিলারের মাধ্যমে সাতকানিয়া উপজেলার সাড়ে পাঁচ হাজার কার্ডধারীকে ১০ টাকা ধরে ত্রিশ কেজি চাল বিতরণ কর্মসূচি চলমান রয়েছে। এছাড়া সাতকানিয়া পৌরসভায় দৈনিক দু’ মেট্রিকটন চাল ১০ টাকা ধরে প্রতিবারে পাঁচ কেজি করে খোলাবাজারে বিক্রি হচ্ছে।

মাননীয় এমপি ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী দুঃস্থ-দরিদ্র জনসাধারণের জন্য সরকারী বরাদ্দকৃত ত্রাণ সামগ্রী বিতরণে কোথাও কোন প্রকার অনিয়ম দেখা দিলে সুনির্দিষ্ট প্রমাণসহ মেসেজের মাধ্যমে অথবা উনার একান্ত সচিব এরফানুল করিম চৌধুরীকে মোবাইলে অবহিত করার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি অনুরোধও জানিয়েছেন।

নতুন করে আরো সরকারী বরাদ্দ আসার কথা জানিয়ে মাননীয় এমপি ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী বলেন, দুর্যোগ শেষ না হওয়া পর্যন্ত এভাবে ত্রাণ সামগ্রী বরাদ্দ দিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বদ্ধপরিকর। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা এই বৈশ্বিক মহামারি কাটিয়ে উঠতে পারবো ইনশাআল্লাহ।
সরকারী উল্লেখিত বরাদ্দ ছাড়াও আরব বিশ্বের বিভিন্ন দানশীল ব্যক্তিবর্গ ও দাতা সংস্থার আর্থিক সহযোগিতায় আল্লামা ফজলুল্লাহ ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে সাতকানিয়া লোহাগাড়ার অসহায় দরিদ্রদের মাঝে শীঘ্রই সাহায্য কার্যক্রম শুরু করার কথা জানিয়েছেন মাননীয় সাংসদ।

বর্তমান করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় সাতকানিয়া-লোহাগাড়াবাসীর জন্য এতোসব পদক্ষেপ নেওয়া সত্বেও একশ্রেণীর অখ্যাত-ভূঁইফোড় কথিত অনলাইন ও প্রিন্ট মিডিয়ায় নানা অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিমূলক সংবাদ পরিবেশন দেখে শুধু দুঃখ হয়না, প্রচন্ড ঘৃণাও হয় সাংবাদিকতার মতো মহৎ পেশার পরিচয়ধারী একশ্রেণীর বেকার-চাঁদাবাজদের নির্লজ্জ ভূমিকা দেখে। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের কোন নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে যা ইচ্ছে তাই লিখে যাচ্ছে অসভ্যরা। একজন মাননীয় সংসদ সদস্যের সংসদীয় এলাকায় ক্ষমতা ও এখতেয়ার কতটুকু তা পর্যন্ত জানেনা এসব গন্ডমূর্খরা। প্রত্যেক সংসদীয় এলাকায় নির্বাহী ক্ষমতার অধিকারী মাননীয় সংসদ সদস্যগণ। স্থানীয় সংসদ সদস্যের মতামত ছাড়া তাঁর সংসদীয় এলাকায় কোন প্রকার নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগের সুযোগ স্থানীয় প্রশাসনের নেই- তাদের এই নূন্যতম জ্ঞানটুকুও আছে বলে মনে হয়না কথিত রিপোর্ট দেখে। নিজেদের তৈরি মিথ্যা-বানোয়াট বক্তব্যকে “নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিভিন্ন জনপ্রতিনিধি”র নামে চালিয়ে দিয়ে মাননীয় সংসদ সদস্যের সাথে জনপ্রতিনিধিদের ভুল বুঝাবুঝির অপতৎপরতা এসব দালালদের মজ্জাগত অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। নামে-বেনামে কথিত সাংবাদিক নামধারী এসব দালালদের কল্পকাহিনী মাঝেমধ্যে এতোবেশী মাত্রাতিরিক্ত হয়ে যায় যা কোনভাবেই মেনে যায়না। যদিও মাননীয় সংসদ সদস্য প্রফেসর ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী মহোদয় তাঁর বিরুদ্ধে কে কি বললো কিংবা কি লিখলো তার তোয়াক্কা করেননা। তিনি প্রায়-ই বলে থাকেন, “নিন্দুকেরা যাই বলুক কিংবা লিখুক তাতে কান দিতে নেই, মনের জোর থাকলে এগিয়ে যাওয়া যায়- আমি কিন্তু বরাবরই এই নীতিতে বিশ্বাসী। এই বিশ্বাসের উপর ভর করেই আমার এতোদূর এগিয়ে আসা। জনগণনই আমার শক্তি এবং জনগণনের ভালোবাসাই আমার পূঁজি। তারপরও মানুষ হিসেবে মাঝেমধ্যে বিস্ময়াপন্ন হই, কিছু চেনা-অচেনা মানুষের বিরোধিতার খাতিরে বিরোধিতা এবং অবৈধ সুযোগ-সুবিধা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে অপপ্রচারে লিপ্ত হতে দেখে”।
বলার অপেক্ষা রাখেনা, এলাকার উন্নয়নে ও জনগনের সেবাদানে দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাওয়া একজন কর্মবীরের উপরোক্ত বক্তব্যে মহত্ব ও উদারতা প্রকাশ পেলেও একজন মানু্ষ হিসেবে দুঃখ বোধের প্রকাশও সুস্পষ্ট। এলাকার মাটি ও মানুষের জন্য এরকম ত্যাগ-তিতীক্ষার মাঝেও এতো ষড়যন্ত্র, এতো অপপ্রচার সত্যিই বেদনাদায়ক। পরপর দু’বার নির্বাচিত সংসদ সদস্য হিসেবে বিগত ছয় বছরে তাঁর নিরলস প্রচেষ্টায় সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার সর্বক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। বিগত ছয় বছরে পার্শ্ববর্তী সংসদীয় আসন সমূহের উন্নয়নের সাথে তুলনা করলে সহজেই অনুমেয় হবে ড.আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী এমপি এলাকার উন্নয়নে কি পরিমাণ সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। তাঁর সুযোগ্য সহধর্মিনী বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় মহিলা আওয়ামীলীগের কার্যনির্বাহী সদস্য মিসেস রিজিয়া রেজা চৌধুরী স্বামীর উন্নয়নের ধারাকে বেগমান রাখতে দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার নারী সমাজের মাঝে আত্মসচেতনতা সৃষ্টি, সরকারী উন্নয়ন কর্মকান্ডের সাথে নারীদের সম্পৃক্ততাসহ নারী নির্যাতন ও যৌতুক প্রথা বিরোধী বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহন ও বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে নারী সমাজের আইকনে পরিণত হয়েছেন মিসেস রিজিয়া রেজা চৌধুরী।

প্রসঙ্গক্রমে উল্লেখ করতেই হয়; বিগত দুই দশকেরও বেশিকাল ধরে মাননীয় সাংসদের প্রতিষ্ঠিত এনজিও সংস্থা আল্লামা ফজলুল্লাহ ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে দুর্যোগকালীন এবং দুর্যোগ ছাড়াও সরকারী উন্নয়ন কর্মকান্ডের পাশাপাশি সাতকানিয়া-লোহাগাড়ায় ধর্মীয়, সমাজসেবা, শিক্ষা, চিকিৎসা, দারিদ্র বিমোচন, গৃহ নির্মাণ, আশ্রয়ণ প্রকল্প নির্মাণ, এতিম লালন পালন, বিশুদ্ধ পানীয় জলের ব্যবস্থাসহ বিবিধ খাতে কোটি কোটি টাকার উন্নয়ন করা হয়েছে। বেসরকারি পর্যায়ে সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার ইতিহাসে এযাবতকালে সর্বোচ্চ উন্নয়নকারী সংস্থার নাম এই ‘আল্লামা ফজলুল্লাহ ফাউন্ডেশন’।
পরিশেষে বলতে চাই, ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী এমপি মহোদয় সাতকানিয়া লোহাগাড়াবাসীর ভাগ্যাকাশে উল্কার ন্যায় উদিত হননি; বছরের পর বছর ধরে এলাকাবাসীর সেবায় নিজেকে উজাড় করার মধ্যদিয়ে সর্বসাধারণের মন জয় করে রাজনীতির ময়দানে আবির্ভূত হয়েছেন। জনগণের ভালোবাসা নিয়ে তাঁর এতোদূর এগিয়ে আসা এবং জনগণই তাঁর প্রধান হাতিয়ার। সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার আপামর জনসাধারণ মাননীয় এমপি’র বিরুদ্ধে যেকোন ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে বদ্ধপরিকর।

মাননীয় এমপি মহোদয়ের প্রতি আমাদের অনুরোধ, সাংবাদিক নামধারী এসব বেকার-চাঁদাবাজদের দৌরাত্ম্য বন্ধে জরুরি পদক্ষেপ নিন। সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার আনাচে-কানাচে উই পোকার মতো গজিয়ে ওঠা চিহ্নিত এসব চাঁদাবাজদের অপতৎপরতায় অতিষ্ঠ সর্বসাধারণ। এরা যেসব পত্রিকার কার্ড ব্যবহার করে তার অধিকাংশরই ডিএফপি’র (তথ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন) অনুমোদন নেই। সাতকানিয়া-লোহাগাড়ায় কর্মরত মূলধারার সাংবাদিকদের প্রতি অনুরোধ সাংবাদিক নামধারী এসব চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে আপনারাও সোচ্চার হোন। এদের অপকর্মের কারনে সর্বসাধারণের কাছে আপনাদের ইমেজও নষ্ট হচ্ছে।

লেখকঃ
এরফানুল করিম চৌধুরী
একান্ত সচিব,
প্রফেসর ড.আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী, চট্টগ্রাম-১৫(সাতকানিয়া-লোহাগাড়া

Comments

Add Your Comment

ক্যালেন্ডার এবং আর্কাইভ

MonTueWedThuFriSatSun
   1234
567891011
19202122232425
262728293031 
       
 123456
78910111213
282930    
       
     12
31      
    123
25262728293031
       
     12
       
    123
       
      1
30      
293031    
       
     12
3456789
       
  12345
       
1234567
891011121314
22232425262728
2930     
       
    123
       
    123
45678910
25262728   
       
 123456
78910111213
14151617181920
28293031   
       
     12
24252627282930
31      
   1234
567891011
2627282930  
       
     12
       
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031