শনিবার, ১৮ মে ২০২৪

ঘর নেই, ভিটে নেই, একটি ঘরের জন্য বড়ই আকুতি লোহাগাড়ার অসহায় মোঃ হোসেনের!

প্রকাশিত : ১০:৩০ অপরাহ্ন শনিবার, ১৮ মে ২০২৪

রায়হান সিকদার,দেশবাংলাঃ

পেটে অন্ন জোগানো কষ্টসাধ্য। ক্ষুধার তাড়নায় প্রায় সময়ই উপবাস থাকতে হচ্ছে। নেই আশ্রয়। জমি-জমা না থাকায় পরের একটি কুড়েঘর মানবেতর জীবনযাপন করছেন মোঃ হোসেন। তার পিতার নাম ছালে আহমদ। তার বাড়ি লোহাগাড়া উপজেলার পুটিবিলা গৌড়স্থান নয়া বাজার এলাকায়। তার দু কন্যা,স্ত্রীকে নিয়ে সংসার চালিয়ে যাচ্ছিল অতি কস্টে।তার এক মেয়ে হঠাৎ মারা যান। বিগত ২০০৫ সালে ২৯ নভেম্বর ভাগ্যের নির্মম পরিহাস গা্ছ থেকে পড়ে গিয়ে তার কোমর ভেঙ্গে যায়। টাকার অভাবে পরিপুর্ণভাবে চিকিৎসা সেবা করতে পারেনি। মোঃ হোসেন চলাফেরা অক্ষম হওয়ার পর পরই পাষন্ড স্ত্রী তাকে ফেলে চলে যায় অন্যের সংসারে। একমাত্র,মেয়েকে অতি কস্টে বিয়ে দেন।

জানা গেছে, মোঃ হোসেনের কোন জমিজমা নেই। ভিটে নেই।নুন আনতে পানতা পুরায়। তার এক চাচাত ভাই মনির আহমদের কুড়েঘরে অতি কস্টে দিনাতিপাত করছে
স্বপ্নের ঘর বাঁধার জন্য বারবার সরকারি দপ্তর, জনপ্রতিনিধি ও বিত্তবানদের কাছে ধর্ণা দিলেও আশায় গুঁড়েবালি।এখন একটি ঘর যেন তার জন্য বড়ই প্রয়োজন।সরকারের পক্ষ থেকে একটি ঘর পেলে একটু স্বস্তি নিয়ে দিনাতিপাত করতে পারতেন অসহায় মোঃ হোসেন।

অসহায় মোঃ হোসেন জানান, আমি গাছ থেকে পড়ে গিয়ে অক্ষম হয়ে পড়েছি।আমার কোন ঘর নেই,জমিও নেই। পরের ঘরে বসবাস করছি। ভিক্ষা করে সংসার চালাতে হয়।সরকার ও বিত্তবানদের নিকট একটি ঘর তৈরির জন্য আবেদন করেছি কয়েকবার। কোন কাজ হয়নি।

জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদের নির্বাহী সদস্য সমাজকর্মী মুহাম্মদ আরমান বাবু রোমেল জানান, মোঃ হোসেন গাছ থেকে পড়ে গিয়ে পঙ্গুত্ব অবস্থায় দিনাতিপাত করছে।তিনি ভিক্ষে করে সংসার চালায়। তার নেই ভিটে,নেই জমি। খবর পেয়ে আমার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে তার জন্য একটি হুইল চেয়ারের ব্যবস্থা করে দিয়েছি।

লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) মুুহাম্মদ ইনামুল হাছান জানান,অসহায় মোঃ হোসেনকে দেখে আবেগ আপ্লুত হয়েছি। তার ঘর নেই,ভিটে নেই বিষয়টি শুনেছি। তাকে একটি ঘরের ব্যবস্থা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

আরো পড়ুন